১৬৫০ মিটার দৃশ্যমান

পদ্মাসেতুতে বসলো ১১তম স্প্যান

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১১:২৭ | আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১১:৪৯

অনলাইন ডেস্ক
ফাইল ছবি

স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে বসেছে আরেকটি স্প্যান। মঙ্গলবার জাজিরা প্রান্তে বসানো হয়েছে ১১তম স্পেনটি। ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যর এই স্প্যান ভাসমান ক্রেন দিয়ে বসানো হলো।

এরফলে পদ্মা সেতু এখন ১৬৫০ মিটার দৃশ্যমান। ১১তম স্প্যানটি জাজিরা প্রান্তে ৩৩ ও ৩৪ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয়েছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পের এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সেতু বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে মাওয়ার মুন্সীগঞ্জের কুমারভোগের বিষেশায়িত জেডি থেকে স্প্যানটি নিয়ে শক্তিশালী ভাসমান ক্রেন তিয়া নি হাউ জাজিরার উদ্দেশে রওনা দেয়। গত সোমবার বিকালে স্প্যানটি নিয়ে জাজিরা নাওডোবা এলাকায় পৌঁছে। আজ সকালে পিলারের ওপর তোলা হয় বলে জানিয়েছে সেতু বিভাগ।

২০১৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সেতুর ১ম স্প্যান এবং ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় স্প্যান এবং ১০ মার্চ তৃতীয় স্প্যান ও ১৩ এপ্রিল ৪র্থ স্প্যান ২৯ জুন ৫ম স্প্যান বসানো হয়।

২০১৯ সালে ২৩ জানুয়ারি ষষ্ঠ স্প্যান, ২০ ফেব্রুয়ারি ৭ম স্প্যান বসানোর হয়েছে। ২০ মার্চ ৮ম স্প্যান, ১৮ এপ্রিল ৯ম স্প্যান বসানো হয়। এছাড়া মাওয়া পয়েন্টের দিকে গত বছর আরো একটি স্প্যান ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয়েছে। স্প্যানটি তৈরি করা হয়েছে ৬ ও ৭ নম্বর পিলারের ওপর বসানোর জন্য।

নকশা জটিলতা ও পিলার তৈরি না হওয়ায় এবং ওয়ার্কশপে জায়গা না থাকায় অস্থায়ীভাবে ৪ ও ৫ নম্বার পিলারে তুলে রাখা হয় স্প্যানটি। নকশা জটিলতা কেটে যাওয়ার পর ৬ ও ৭ নম্বর পিলার তৈরি হলে স্প্যানটি সেখানে সরিয়ে নেয়া হবে বলে জানিয়েছে সেতু বিভাগ।

প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২১টি পিলার এরই মধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। এ স্প্যানটি বসানোর সংবাদে পদ্মা পাড়ের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

প্রতি মাসেই স্প্যান বসানো হবে বলে জানিয়েছেন সেতু বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে গোটা দেশের যোগাযোগব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে। দেশের অর্থনৈতিতে নতুন মাত্রা যোগ হবে। পদ্মা সেতুর দুই পাড়ে গড়ে উঠবে বিশ্বমানের শহর। কলকারখানায় ভরে উঠবে এ এলাকা। শ্রমজীবী মানুষের ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

পিডিএসও/তাজ