গণমাধ্যমে ব্যারিস্টার মওদুদের মিথ্যাচারের প্রতিবাদে আ.লীগের সভা

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৭:৩৫

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

গণমাধ্যমে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মিথ্যাচার বক্তব্যের প্রতিবাদে বুধবার সন্ধ্যায় রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবদুল আহাদ খোকনের সভাপতিত্বে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে এ প্রতিবাদ সভা অনুুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, দেশের কয়েকটি শীর্ষ স্থানীয় পত্রিকায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের গাড়ীতে ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীরা ২৫/৩০টি ককটেল নিক্ষেপ করে এতে বিএনপির ৫ নেতা-কর্মী আহত হয়েছে বলে যে অপপ্রচার চালানো হয় যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক।

মওদুদ ২০০১ সালে একটি খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার ৯৭ জন নেতা-কর্মীকে মামলা দিয়ে বাড়িঘর ছাড়া করেছে। তারা আবার সেই ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার করে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে বানচাল করার পাঁয়তারায় লিপ্ত। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে মওদুদ আহমদ শান্তির সু-বাতাসকে অশান্ত করতে চান। ছাত্রলীগ-যুবলীগ এই ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেবে। তার মিথ্যাচারের রাজনীতির দিন শেষ। ৩০ ডিসেম্বর ব্যালেটের মাধ্যমে জনগণ এর জবাব দেবে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল বাহার চৌধুরী, সাবেক সরকারি মুজিব কলেজ ভিপি সেলিম চৌধুরী বাবুল, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রোমেল চৌধুরী, পৌর যুবলীগ সভাপতি লুৎফুর রহমান মিন্টু, স্বাধীনতা ব্যংকার্স সমিতির সদস্য ফখরুল ইসলাম রাহাত, মুজিব কলেজ ছাত্রলীগ সম্পাদক মোবারক হোসেন রিয়াদ, ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি হাসান আহমেদ, ছাত্রলীগ সভাপতি আবু নাছের কছি প্রমুখ। 

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ব্যরিষ্টার মওদুদ আহমেদ তার নির্বাচনী এলাকার রামপুর ইউনিয়নে গনসংযোগ ও বিএনপির মৃত নেতা-কর্মীদের কবর জেয়ারত করার পর বিকেলে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের একান্ত সহকারী মমিনুল হক সুজন সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ৪০/৫০জন নেতাকর্মী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের গাড়ি লক্ষ্য করে পরপর ২৫/৩০টি ককটেল নিক্ষেপ করে।

এ বিষয়ে রামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম বুলবুলের সাথে আলাপ করা হলে তিনি জানান, ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা সত্য। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ রামপুর ইউনিয়নে আসার ২০ মিনিট পূর্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হলে স্থানীয় ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা কয়েকটি ককটেল নিক্ষেপ করে।

স্থানীয় চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার চৌধুরীর মুঠোফোনে আলাপকালে তারা আমার বক্তব্যকে কাট-ছাট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে।

পিডিএসও/তাজ