কুমিল্লায় এক আসনে মনোনয়ন কিনলেন ৪ ভাই

প্রকাশ : ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ১৬:২৯ | আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ১৬:৪৩

মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে নির্বাচন নিয়ে এরই মধ্যে জমে উঠেছে রাজনৈতিক মাঠ। এ আসনটি বিএনপির দুর্গ হওয়ায় ১৯৭৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ. লীগের প্রার্থী ডা. ওয়ালী আহাম্মদের পর আর জয়ের মুখ দেখেনি আওয়ামী লীগ। 

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বিএনপি থেকে মনোনয়ন কিনলেও তারই তিন ভাই কনস্যুলার কর্পস ইন বাংলাদেশ (সিসিবি)’র সভাপতি ও ইয়েমেনের অনারারি কনস্যুল জেনারেল কেএম মজিবুল হক, টোটাল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুন্নুন বসরি ও কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী শাহ্ আরফিনও বিএনপি থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

তবে একই আসনে নির্বাচন করতে চান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, তার স্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. শাহিদা রফিক, ঢাকা দক্ষিণ শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক কাজী আমীর খসরু, অ্যাড. নূর এ আলম ও ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুনসহ মোট ৯ জন।

মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মজিবুল হক বলেন, ‘কাজী শাহ্ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের আকাশ ছোয়া জনপ্রিয়তার কারণে ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সহ মোট পাঁচ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কায়কোবাদের সকল ভাইয়ের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বিএনপির রাজনৈতিক নেতাদের সর্ম্পক রয়েছে। তারা প্রত্যেকেই নিজেদেরকে যোগ্য মনে করেই মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।’ 

মোল্লা মজিবুল বলেন, ‘অন্যদিকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় কায়কোবাদের সাজা হওয়ার কারণে নির্বাচন করতে না পারলে তার ভাইদের মধ্যে যে কেউ বিএনপির মনোনয়ন পাবেন। সে কারণেই তারা বিএনপির মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।’ 

তিনি আরও বলেন, এ আসন থেকে আরো অনেকেই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু উপজেলা বিএনপি মনে করে, ‘মুরাদনগর বিএনপি ও স্থানীয় জনগণের কাছে কায়কোবাদের পরিবারের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তাই ওই পরিবারে মধ্যে যে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে প্রতিবারের মত এবারও এ আসনটিতে বিএনপি জয়ী হবে।’

পিডিএসও/অপূর্ব