‘বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই’

প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০১৮, ২০:৫১

বাগেরহাট প্রতিনিধি

‘বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই। সংখ্যালঘু তারাই, যারা দেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাসমূলক কার্যক্রমে জড়িত। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। এদেশের মানুষ অসম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী হয়ে সব ধর্মের অনুসারীরা মিলেমিশে একসাথে বসবাস করে আসছে। দেশে শান্তিপূর্নভাবে পূজা-পার্বন হয়ে আসছে।’

মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট সদরের হাকিমপুর শিকদারবাড়িতে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে এসে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, এবার সারাদেশে ৩১ হাজার পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্নভাবে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সম্প্রীতির বন্ধন আমাদের ধরে রাখতে হবে।

র‌্যাব ডিজি আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সকলে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। কেউ কোন গুজব সৃষ্টি করে অরাজকতা তৈরী করলে র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার জন্য সবাইকে তিনি আহ্বান জানান। 

র‌্যাব মহাপরিচালক শারদীয় দূর্গোৎসবের মহাসপ্তমির দিনে হামিকপুরের শিকদার বাড়ির ৭০১টি প্রতিমা নিয়ে তৈরী দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন। এসময়ে তার সঙ্গে ছিলেন, র‌্যাব-৬ এর পরিচালক উইং কমান্ডার হাসান ইমন আল রাজীব, বাগেরহাট পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায়, শিকদার বাড়ি দুর্গাপূজার আয়োজক ব্যবসায়ী লিটন শিকদারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদস্থ কর্মকতরা।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সাল থেকে শিকদার বাড়িতে ব্যক্তি উদ্যোগে দেশের বৃহত্তম দুর্গাপূজা মণ্ডপ করা হয়। লিটন শিকদার নামে এক ব্যবসায়ী এ আয়োজন করে আসছেন। ক্রমেই সেখানে প্রতিমার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ২০১৬ সালে প্রতিমার সংখ্যা ছিল ৬০১টি। গত বছর ছিল ৬৫১টি। আর এবার এ মণ্ডপে ৭০১টি প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। প্রতিমার সংখ্যার দিক দিয়ে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পূজামণ্ডপ বলে দাবি করেন পূজার আয়োজক ডা. দুলাল শিকদার।

পিডিএসও/অপূর্ব