পূজায় ‘গুজব’ ঠেকাতে পুলিশের বিশেষ উদ্যোগ

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০১৮, ১৯:৪০

চট্টগ্রাম ব্যুরো
ama ami

চট্টগ্রামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘গুজব’ ছড়িয়ে দুর্গাপূজার সময় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপপ্রয়াস ঠেকাতে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব কিংবা অশ্লীল ছবি ছড়িয়ে দিতে পারে সুযোগ সন্ধানী মহল। এটাকে পুঁজি করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এটা ঠেকাতে আমাদের পদক্ষেপ আছে। একজন এডিশনাল পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে কমিটি করেছি। দুজন আইটি এক্সপার্ট নিয়োগ দিয়েছি। তারা সন্দেহভাজন ফেসবুক আইডিগুলো তদারকি করছেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে এক হাজার ৫১০টি মণ্ডপে পূজা হচ্ছে। এর বাইরে ৩০০টির মতো ঘরোয়া পূজার আয়োজন আছে। প্রতিটি মণ্ডপে আনসার সদস্য থাকবে। কিছু কিছু মণ্ডপে একজন কিংবা দুজন করে পুলিশ সদস্যও থাকবেন। তবে বড় মণ্ডপ যেখানে হাজার হাজার লোক সমাগম হবে, সেখানে বিকেল থেকে ট্রাফিক সদস্য মোতায়েন থাকবে। সাদা পোশাকে পুলিশ থাকবে। সার্বক্ষণিক ফোর্সও থাকবে।

এর আগে দুপুরে দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলার পুলিশ সুপার ও পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক। 

সভাশেষে ডিআইজি সাংবাদিকদের বলেন, দুর্গাপূজা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই। এরপরও নির্বাচনের বছর হওয়ায় কেউ যাতে সুযোগ নিতে না পারে সেজন্য আমরা বিশেষভাবে সতর্ক আছি। পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাদেরও সতর্ক থাকার জন্য বলেছি। তিনটি পূজামণ্ডপের জন্য একটি করে মোবাইল টিম থাকবে।

এদিকে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, এবার নগরীতে ২৫৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা হবে। দুর্গাপূজায় চট্টগ্রাম নগরীতে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে গুজব ছড়িয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হতে পারে। সুযোগ সন্ধানীরা ফেসবুকে বিতর্কিত কিছু পোস্ট করে এ কাজ করতে পারে। ফেসবুকে গুজব ছড়ানো ঠেকাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পিডিএসও/এআই