মনোহরগঞ্জে মফিজ ডাক্তারের জানাজায় মো. তাজুল ইসলাম এমপি

‘যুদ্ধকালীন সময়ে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা দিতেন’

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:৩৩ | আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:৫১

মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
মনোহরগঞ্জে ডাক্তার মফিজুর রহমানের জানাজার নামাজের পূর্বে বক্তব্য রাখছেন মো. তাজুল ইসলাম এমপি

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম এমপি তার মামা ডাক্তার মফিজুর রহমানের জানাজা নামাযের আগে মুসল্লিদের উদ্যেশে বলেন, আমার মামা ডাক্তার মফিজুর রহমান ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আহত ও অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদেরকে চিকিৎসা সেবা দিতেন। কোনও মুক্তিযোদ্ধা আহত অবস্থায় অথবা অসুস্থ অবস্থায় মফিজ ডাক্তারের কাছে গেলে তিনি পয়সা ছাড়াই তাদেরকে চিকিৎসা করতেন এবং ওষুধ দিতেন। 

তিনি আরও বলেন, আজকে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ তাদের বক্তব্যে আমার মামার কাছ থেকে চিকিৎসা সেবা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এ মানুষটি আজকে আমাদের কাছ থেকে চলে গেছেন। আমার মামা ছোটবেলায় আমাকে অনেক আদর করতেন। তিনি জীবদ্দশায় তার উপযুক্ত সন্তানদেরকে রেখে গেছেন। আজকে তার সন্তানরা এখানে উপস্থিত রয়েছেন। আমি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রার্থনা করি, হে মহান রাব্বুল আলামিন তুমি আমার মামা মফিজ ডাক্তারের জীবনের সকল গুনাহ মাফ করে তাকে জান্নাত নসিব করুন।

উপস্থিত সকল মুসল্লিদের কাছে তিনি তার মামা মরহুম ডাক্তার মফিজুর রহমানের জন্য দোয়া কামনা করেন। 

রোববার সকালে মনোহরগঞ্জ উপজেলার মান্দারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ডাক্তার মফিজুর রহমানের জানাজার নামাজের পূর্বে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার রাত ৮টার সময় কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাষ্টার আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীর বাবা ডাক্তার মফিজুর রহমান (১১৫) বার্ধক্যজনিত কারণে তার নিজ বাড়িতে মারা যান।

মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে, ১ মেয়েসহ বহু আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার জানাজার নামায শেষে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজার নামাজ পরিচালনা করেন তার দৌহিত্র হাফেজ রিদওয়ান আহমেদ শিশির। 

জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করেন— লাকসাম উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইউনুছ ভূঁইয়া, লাকসাম পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি তাবারক উল্যাহ কায়েস, সাধারণ সম্পাদক মহব্বত আলী, লাকসাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. রফিকুল ইসলাম হিরা, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ মনোহরগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম শাখাওয়াত হোসেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মইনুল ইসলাম, সহকারি শিক্ষা অফিসার হানিফ মিয়া, মনির হোসেন, উপজেলা দারিদ্র বিমোচন অফিসার আবু বকর মিয়াজী, মনোহরগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবুল কালাম চেয়ারম্যান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম চৌধুরী, মনির হোসেন হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ভেন্ডর, আবুল কালাম আজাদ, আবুল বাশার মজুমদার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কমান্ডার আবদুল আজিজ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর আবদুর রশিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার শাহজাহান, ডাক্তার মোক্তার হোসেন, এনায়েত উল্যাহ, চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বিএসসি, আবদুল মন্নান, কামাল হোসেন, জিয়াউর রহমান শাহিন জিয়া, মোস্তফা কামাল, মহিন উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এসএম শেখ কামাল, আওয়ামী লীগ নেতা হাজী অহিদ উল্যাহ পাটোয়ারী, আবদুল হালিম, আবুল আয়েস ভূঁইয়া, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক দেওয়ান জসিম উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক জানে আলম, আমির হোসেন, কামাল হোসেন, মহি উদ্দিন, পঞ্চগ্রাম স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মেজবাহ উদ্দিন, উপাধ্যক্ষ আবদুল কুদ্দুস হিলালী, নাথেরপেটুয়া ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মোফাজ্জল হোসেন, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বাবুল হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক সেলিম কাদের চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমিন, নজরুল ইসলাম পাটোয়ারী সোহেল, যুবলীগ নেতা জসীম উদ্দিন, মাসুদ ওয়াসিম, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আমিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা শিমুল খাঁন, আজিম উদ্দিন বাহারসহ এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

পিডিএসও/এআই