ধুনটে যমুনার পানি বিপদসীমার ওপরে

প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৪৬ | আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:২০

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীতে ১০ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে নদীর পানি যমুনার তীর উপচে বাঁধের অভ্যন্তরের গ্রামগুলোতে প্রবেশ করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উজান থেকে ধেয়ে আসা পানিতে ফুঁসে উঠেছে যমুনা নদী। পানি যমুনা নদীর তীর উপচে উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অভ্যন্ত্ররের গ্রামগুলোতে প্রবেশ করছে। যমুনা নদীর বৈশাখী ও রাধানগর চরের প্রায় ১ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এদিকে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অভ্যন্তরের সহড়াবাড়ী, শিমুলবাড়ী, কৈয়াগাড়ী, বানিয়াজান ও ভান্ডারবাড়ীর গ্রামের (আংশিক) মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়বে। নদী তীরের মানুষ প্রতিবছরের মতো এবারো বন্যার আশংকা করছে। যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে শিমুলবাড়ী ও সহড়াবাড়ী পুরানো বাঁধ ভাঙার আশংকা করা রয়েছে।

অপরদিকে ধুনট উপজেলার ভূতবাড়ী থেকে কাজীপুর উপজেলার ঢেকুরিয়া গ্রাম পর্যন্ত দুই কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের ফলে ভূতবাড়ী, পুকুরিয়া ও ভান্ডারবাড়ী গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ বন্যার পানি থেকে রক্ষা পেয়েছে।

ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপেল বলেন, বর্ষা মৌসুম এলে যমুনা নদীর তীর উপচে বাঁধের পূর্বতীরের গ্রামগুলোতে বন্যা হয়। বৃহস্পতিবার থেকে নদীর তীর উপচে পানি গ্রামগুলোতে প্রবেশ করছে। এতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

পিডিএসও/হেলাল