সন্তানকে বাঁচাতে মায়ের আকুতি

প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৯:০৪

শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

চোখের সামনে মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করছে মিজান। দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলো সে। সেখানে ৫০ হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হয়েছে। এখন তাকে ঢাকায় নিয়ে তিনটি অপারেশন করাতে হবে। খরচ হবে প্রায় দুই লক্ষ টাকা, নইলে মিজানকে বাঁচানো যাবে না। কোথায় পাওয়া যাবে এত টাকা? কিভাবে সন্তানকে বাচিয়ে রাখা যাবে? 

ঢাকার এক পোশাক কারখানায় সামান্য বেতনে চাকরি করতেন মিনি খাতুন। তিন মাস আগে চাকরি ছেড়ে ফিরে এসেছেন বগুড়ায়। এখন বিত্তবানদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন সন্তানের চিকিৎসার অর্থের খোঁজে। স্বামী থেকেও নেই, তিন সন্তান রেখে তাদের ছেড়ে চলে গেছেন অনেক আগেই। 

কথাগুলো বলতে বলতে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলেন না সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫ বছরের শিশু মিজানুর রহমানের মা মিনি খাতুন।

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ফুলকোর্ট বামনদিঘি গ্রামের বাসিন্দা মিনি খাতুন। গত ঈদুল ফিতরের পরদিন গ্রামের পাকা রাস্তায় ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানের চাকা শিশু মিজানের তলপেটের ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে তার মূত্রথলি ফেটে পুরুষাঙ্গ মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ভেঙ্গে যায় তার পায়ের দুই হাড়। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আড়াই মাস চিকিৎসা করিয়েছেন তার মা। সেখান থেকে বলা হয়েছে উন্নত চিকিৎসার জন্য মিজানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে হবে। সেখানে তার তিনটি অপারেশন করাতে হবে। 

পিডিএসও/ এআই