‘খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য রাজপথে কেউ আন্দোলন করছে না’

প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৭:৪৪ | আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৭:৫১

অনলাইন ডেস্ক

'বাংলার জনগণ খালেদার সঙ্গে নেই। তা-না হলে আদালতে বিএনপি নেত্রীর পাঁচ বছরের সাজা হলেও খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য রাজপথে কেউ নেমে আন্দোলন করছে না। এতেই প্রমাণ হয় জনগণ তার থেকে সরে গেছে।' 

শুক্রবার সকালে মাদারীপুরে আচমত আলী খান স্টেডিয়ামে মিনি আর্টিফিসিয়াল টার্ফ-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা বর্তমান সরকারের আমলে হয়নি উল্লেখ করে নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, 'তত্ত্ববধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতির মামলাটি হয়েছে। এই মামলায় বর্তমান সরকারের কোনো হাত নেই। আইন নিজস্ব গতিতে চলছে। এই মামলায় বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার শুধুমাত্র আইনি সহযোগিতা করেছে।' 

নৌমন্ত্রী বলেন, 'মানুষকে পুড়িয়ে-পিটিয়ে হত্যা করে কখনো গণতন্ত্র রক্ষা করা যায় না।' তিনি বলেন, 'খালেদা জিয়ার সামাজিক অবস্থান ও বয়সের বিবেচনায় পাঁচ বছরের সাজা হলেও হাইকোর্টে আপিল করলে সাজার মেয়াদ ১০ বছরও হতে পারে। দুর্নীতি করলে নিম্ন আদালতের চেয়ে উচ্চ আদালতে আপিলের পর সাজা বেশি হয়েছে, এমন উদাহরণ দেশে অনেক রয়েছে।' 

নৌমন্ত্রী আরো বলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে দুর্নীতির দায়ে আদালত যে রায় দিয়েছেন, তার প্রতিবাদে কোনো মিছিল-মিটিং, প্রতিবাদ হয়নি। অথচ আমরা এরশাদবিরোধী আন্দোলনে কারফিউয়ের মধ্যেও আন্দোলন সংগ্রাম করেছিলাম। এতেই প্রমাণিত হয় বাংলার মানুষ খালেদা জিয়ার সঙ্গে নেই। তিনি মানুষ হত্যা করেছেন, মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছেন। তার দোষের সাজা হয়েছে। এতে বিএনপির আক্ষেপ করার কিছু নেই।'

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি তাদের নেত্রীকে বাঁচাতে হাইকোর্টে আপিল করতে পারেন। কিন্তু বিগত দিনে দেখেছি, হাইকোর্ট অনেক সময় দুর্নীতির জন্যে সাজা বাড়িয়েছে। তার রায়ে সাজা বাড়াতেও পারেন।' 

এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের আর্থিক সহযোগিতায় প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মাদারীপুর জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে দেওয়া 'মিনি আর্টিফিশিয়াল টার্ফ' উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী মো. সালাহ্উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ, সদস্য আমিরুল ইসলাম বাবু, মাদারীপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পাভেলুর রহমান শফিক খানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পিডিএসও/রিহাব