গত ৩ মাসে রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি কমেছে

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৩৭ | আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৪৮

অনলাইন ডেস্ক

চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও গত তিন মাস আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ধারাবাহিকভাবে অবনতি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় আগস্ট মাসে প্রবৃদ্ধি কমেছে সাড়ে ১১ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে ৩ শতাংশ আর অক্টোবর মাসে প্রবৃদ্ধি কমেছে প্রায় ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ।

মঙ্গলবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) পণ্য রপ্তানির এসব হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে অক্টোবর এই চারমাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৪৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। যেখানে এই সময়ে আয় হয়েছে ১ হাজার ২৭২ কোটি ১২ লাখ ডলার। যা চলতি বছরের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ শতাংশ কম।

তথ্য অনুযায়ী, রপ্তানি আয়ে চলতি বছরের জুলাইয়ে ৩৮৮ কোটি ৭৮ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল, আগস্টে হয়েছিল ২৮৪ কোটি ৪৩ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে হয়েছিল ২৯১ কোটি ৯৮ লাখ ডলার আর অক্টোবরে হয়েছে ৩০৭ কোটি ৩২ লাখ ডলার। যেখানে আলোচ্য মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৪৮ কোটি ১০ লাখ ডলার।

ইপিবির প্রতিবেদনে দেখা যায়, বড় কোনো খাতই রপ্তানি আয়ে ভালো করেনি। চার মাসে পোশাক খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৫৭ কোটি ৭৩ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ কম। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১২ শতাংশ কম। যেখানে আলোচ্য সময়ে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ২০২ কোটি ৯২ লাখ ডলার।

দেখা যায়, পণ্য রপ্তানির সিংহভাগ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে। তবে সেই খাতের রপ্তানি কমে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য ও হোম টেক্সটাইলের রপ্তানি আয়ও কমেছে। তবে কিছুটা ঘুরে দাড়িয়েছে পাট ও পাটজাত পণ্য।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩১ কোটি ৬৯ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৮ শতাংশ কম। পাট ও পাটপণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৩১ কোটি ৪৪ লাখ ডলারের কিছু বেশি। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ কম। কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩৫ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি কমেছে প্রায় ২ শতাংশ।

পিডিএসও/তাজ