খাঁটি সোনা চিনবেন যেভাবে

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০১৯, ১০:০৯

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

সোনার গহনায় নারীদের আগ্রহ বেশি। তবে খাঁটি সোনা চিনতে পারেন না অনেকে। খরচ করেই সোনা কিনেন। কিন্তু সোনায় খাদ বেশি থাকায় বিক্রি করতে গেলে দাম পাওয়া যায় না। সোনার দাম এখন আকাশছোঁয়া। ২২ ক্যারেট সোনার ভরি এখন ৩৭ হাজার ৭৫০ টাকার কাছাকাছি। তবে সোনা কেনার আগে খাঁটি সোনা চেনা জরুরি।

সাধারণত ২৪ ক্যারেট সোনাই হলো খাঁটি। ২৪ ক্যারেট সোনা মানে ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ খাঁটি সোনা। কিন্তু একেবারে খাঁটি সোনা দিয়ে গহনা তৈরি করা যায় না, প্রয়োজন হয় সামান্য খাদের। দোকানে সাধারণত ২২ ক্যারেট সোনা দিয়েই অলঙ্কার তৈরি হয়। সে দিকটা খতিয়ে দেখতে হবে, যাতে ২২ ক্যারেটের সোনাই দেওয়া হয়। ২২ ক্যারেট সোনা মানে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ খাঁটি সোনা। ২১ ক্যারাটে থাকে ৮৭ শতাংশ, ১৮ ক্যারেটে থাকে ৭৫ শতাংশ সোনা। তবে আমাদের দেশে ২২ এবং ২১ ক্যারেট সোনা দিয়েই বেশি গহনা তৈরি করা হয়।

স্পেকট্রোমিটার এমন এক যন্ত্র, যাতে মাপার পর সোনায় খাদ থাকলে সহজেই তা ধরা পড়বে। যন্ত্রই বলে দেবে কত ক্যারেটের সোনা আপনাকে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং স্পেকট্রোমিটার মেশিনে মেপে আপনার সোনার খাদ যাচাই করে তবেই সোনা কিনুন। এ ছাড়া দেখে নিন হলমার্ক। তাতে বিক্রির সময়ে খাদ বাদ যাবে না। কেবল মজুরিটুকুই বাদ যাবে।

প্রায় কাছাকাছি নকশার গহনা বিভিন্ন দোকানে বিভিন্ন দামের হতেই পারে। কারণ হিসেবে সোনার মান আর মেকিং চার্জের যুক্তি দেখান সোনা ব্যবসায়ীরা। তাই বেশ কিছু দোকানে আগে সার্ভে করে তবেই কিনুন সোনার গহনা।

সোনার গহনায় হীরা, রুবি, পান্না জাতীয় পাথরের কাজ থাকলে তা দেখতে ভালোই লাগে আর সে ক্ষেত্রে দামটাও বেড়ে যায় অনেকখানি। অথচ পরবর্তী সময়ে বিক্রি করার সময় সেই গহনার মনের মতো দাম পাওয়া যায় না। তাই সোনার গহনায় পাথর না থাকাই ভালো। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

পিডিএসও/হেলাল