এবি ব্যাংকের ১১ পরিচালকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০১৯, ২০:৩৪

অনলাইন ডেস্ক

এবি ব্যাংকের গ্যারান্টি নিয়ে সিটিসেলের নামে ৩৮৩ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হকসহ বর্তমান-সাবেক ১১ পরিচালকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার পুলিশের বিশেষ শাখার সুপার (ইমিগ্রেশন) বরাবর পাঠানো মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. সামছুল আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়। 

যাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে ফিরোজ আহমেদ ও সৈয়দ আফাজ হাসান উদ্দিন এবি ব্যাংকের বর্তমান পরিচালক আর বাকি আটজন সাবেক পরিচালক। তারা হলেন- মো. আবদুল আউয়াল, মোহাম্মদ ইমতিয়াজ হোসেন, শিশির রঞ্জন বোস, ফাহিমুল হক, মো. মেজবাহুল হক, জাকিয়া শাহরুড খান রুনা, মিশাল কবির ও বি বি সাহা রায়। তারা কেউ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও সবাই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বলে দুদকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। 

ইমিগ্রেশন পুলিশে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সপরিবারে দেশত্যাগে করে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তাই অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক। এর আগে গত ১০ জুন এ মামলার অন্যতম আসামি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা এম মোরশেদ খানকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেলের মূল কোম্পানির নাম প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড (পিবিটিএল)। এম মোরশেদ খান এর চেয়ারম্যান, তার স্ত্রী নাছরিন খানও একজন পরিচালক। মোরশেদ খান এবি ব্যাংকেরও চেয়ারম্যান ছিলেন। সিটিসেলের নামে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৭ সালের ২৮ জুন মোরশেদ খান, তার স্ত্রীসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

দেশের সবচেয়ে পুরোনো সেলফোন অপারেটর সিটিসেল লাইসেন্স পায় ১৯৮৯ সালে। সেসময় বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডের (বিটিএল) নামে লাইসেন্স দেওয়া হয়। ১৯৯৩ সালে প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (পিবিটিএল) প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা কিনে সিটিসেল নামে কার্যক্রম শুরু করে। দেনার দায়ে ২০১৬ সালে সিটিসেল বন্ধ হয়ে যায়।

পিডিএসও/তাজ