বাজেট : রাজনীতিবিদরা কি বলছেন

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০১৯, ১৬:৫৯

অনলাইন ডেস্ক

বাজেটে ঘাটতি নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তার আমলের চেয়ে এবার বাজেটে ঘাটতি ২০ কোটির কিছু বেশি। ঘাটতি নিয়ে শঙ্কায় জাতীয় পার্টিও। আর বিএনপি ঋণনির্ভর বললেও তাদের শরিক গণফোরাম বলছে- বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা থাকলে এটি স্মার্ট বাজেট।

রাষ্ট্রের এক বছরের আয়-ব্যয়ের খতিয়ান নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদে নতুন অর্থমন্ত্রী পেশ করেন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট।

অন্যান্যবারের চেয়ে এবার অপেক্ষাকৃত কম সময়ে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনা শেষ হয়। বাজেট অধিবেশন শেষে একে একে বেরিয়ে আসেন আইনপ্রণেতারা। সাংবাদিকদের জানান বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া।

এ সময় সদ্য সাবেক অর্থমন্ত্রী বাজেট বাস্তবায়নে ঘাটতির বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা বলেন। তবে ক্ষমতাসীন দলের আরেক সিনিয়র নেতা বললেন- এটি বরাবরের মতোই গণমুখী বাজেট।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, এই বাজেটে করের বোঝা নেই এবং ব্যবসায়ীরাও খুশি হবেন। বাস্তবসম্মত একটি বাজেট।

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, এবার প্রধানমন্ত্রী বাজেট পেশ করেছেন এটা খুবই নতুন ছিল। বাজেট বাস্তবায়নে ঘাটতির বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

এদিকে, বামদলগুলোর কেউ কেউ বাজেটকে বাস্তবায়নযোগ্য বললেও অনেকের মত-বাজেটে ঋণখেলাপিদের বিষয়ে সুস্পষ্ট কিছু নেই।

রাশেদ খান মেনন বলেন, সমৃদ্ধির পেছনে যে জনগণ কাজ করছে তাদের ব্যাপারগুলো স্পষ্ট নয়।

হাসানুল হক ইনু বলেন, বড় বাজেট দেয়ার সক্ষমতা শেখ হাসিনা সরকার সক্ষম হয়েছে।

তবে, সম্প্রতি সংসদে যোগ দেয়া বিএনপির সংসদ সদস্যরা বললেন চ্যালেঞ্জিং এই বাজেট বাস্তবায়নে ঘাটতি বড় সংকট হয়ে দেখা দিতে পারে।

হারুণ অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে সেক্টর সেটা হল কৃষি। আজকে কৃষি একেবারে বিপর্যস্ত।

আর জাতীয় পার্টি মনে করছে, বড় ঘাটতির এই বাজেটে বিনিয়োগ থমকে যেতে পারে।

জিএম কাদের বলেন, ঘাটতি আরো বেশি হতে পারে, এটাও আমাদের আশঙ্কা। ঘাটতি বেশি হলে ব্যবসায় অসুবিধা সৃষ্টি হবে।

গতিশীল অর্থনীতির উদীয়মান ধারা বজায় রাখতে বাজেটের ঝুঁকি মোকাবিলা করা গেলে নতুন অর্থবছর নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে বলেও মত দেন কোনো কোনো রাজনীতিবিদ।

পিডিএসও/রি.মা