হাইটেক পার্কসহ ফ্ল্যাট-জমিতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০১৯, ২১:৩৪

অনলাইন ডেস্ক

অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্কে শিল্প স্থাপনে কালো টাকা (অপ্রদর্শিত আয়) থেকে বিনিয়োগ করা অর্থের ওপর ১০ শতাংশ হারে কর দিলে ওই অর্থের উৎস সম্পর্কে আয়কর বিভাগ থেকে কোনো প্রশ্ন করা হবে না।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উত্থাপিত নতুন অর্থবছরের (২০১৯-২০) প্রস্তাবিত বাজেটে এমন প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় এবং দালান নির্মাণে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর হার কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্কে পণ্য বা সেবা উৎপাদনজনিত উদ্ভূত আয়কে ১০ বছরের জন্য বিভিন্ন হারে কর অব্যাহতি সুবিধা দেয়া হয়েছে।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্কে শিল্প স্থাপনে অপ্রদর্শিত আয় থেকে বিনিয়োগ করা অর্থের ওপর ১০ শতাংশ হারে কর দিলে ওই অর্থের উৎস সম্পর্কে আয়কর বিভাগ থেকে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা হবে না— এ সংক্রান্ত একটি বিধান আয়কর অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করছি।

অপ্রদর্শিত অর্থের বিষয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে আরো বলা হয়, বিদ্যমান আইনে নির্দিষ্ট হারে কর দিলে ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় এবং দালান নির্মাণে বিনিয়োগ করা অর্থের উৎস সম্পর্কে আয়কর বিভাগ থেকে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা হয় না।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, তবে এ হারটি অত্যাধিক হওয়ায় করদাতারা খুব একটা সাড়া দিচ্ছেন না। ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় এবং দালান নির্মাণে বিনিয়োগ স্বপ্রণোদিতভাবে আয়কর নথিতে প্রদর্শনে করদাতাদের আরো আগ্রহী করার জন্য এ সংক্রান্ত বিদ্যমান করহার হ্রাস করার প্রস্তাব করছি।

জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট দেশের ৪৮তম এবং বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট।

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শিরোনামে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয় পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। দেশের ৪৮ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট এটি।

প্রসঙ্গত, প্রস্তাবিত বাজেট পাস হবে ৩০ জুন। ১ জুলাই থেকে শুরু হবে নতুন অর্থবছর।

পিডিএসও/তাজ