বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের পরিবেশ বিরাজ করছে

প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০১৯, ১১:৩৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, ‘বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী জাপান। জাপানি বিনিয়োগ বাংলাদেশের উন্নয়নকে বেগবান করবে। স্বাধীনতার পর থেকেই জাপান বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সব বাধা দূর করে বিনিয়োগকারীদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।’

গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিস (বেসিস) এবং সরকারের আইসিটি ডিভিশনের যৌথ উদ্যোগে দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের বৃহৎ প্রদর্শনী তিন দিনব্যাপী ১৫তম ‘বেসিস সফট এক্সপো-২০১৯’-এর প্লিনারি সেশন ‘ডুয়িং বিজনেস উইথ জাপান’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘এরই মধ্যে জাপানকে একটি বড় ইকোনমিক জোন বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেখানে জাপানের বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। জাপানের উন্নয়নের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেশ কাজে লাগবে। এরই মধ্যে দেশের অনেক বড় প্রকল্পে জাপান কাজ করতে এগিয়ে এসেছে। জাইকা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী।’ বিনিয়োগের সুবিধার জন্য বাংলাদেশে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, অবকাঠামোর উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সব বাধা দূর করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

টিপু মুনশি বলেন, ‘আইসিটি ক্ষেত্রে জাপান অনেক উন্নত। এ ক্ষেত্রে জাপান বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে পারে। এরই মধ্যে জাপান বাংলাদেশের অনেক বড় প্রকল্পে কাজ শুরু করেছে। জাপানের বাজারেও বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। দিন দিন জাপানে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের চাহিদা বাড়ছে। ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পদ্ধতি ও আনুষ্ঠানিকতা সহজ করা হয়েছে। এখন এক স্থানেই সব কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। জাপানের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগের দরজা খোলা।’

সেমিনারে কি-নোট উপস্থাপন করেন জাপান ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান শোলচি কোবেয়াশি। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথোরিটির (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম, জাপান-বাংলাদেশ সোসাইটির চেয়ারম্যান ও জাপানের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাটসুশিরো হোরিকুচি এবং জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের জেনারেল সেক্রেটারি তারেক রাফি ভূঁইয়া বক্তব্য দেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আবদুল লতিফ বকসী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

পিডিএসও/হেলাল