চামড়া কিনে বিপাকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা

প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০১৮, ১৬:৩৬ | আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০১৮, ১৭:১২

অনলাইন ডেস্ক

চলতি বছর কোরবানির পশুর চামড়া কিনে বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন রাজধানীর অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী বা ফড়িয়ারা। যেসব মৌসুমি ব্যবসায়ী ৭০০ টাকার বেশি দামে চামড়া কিনেছেন, তারা পাইকারের কাছে বেশি দামে তা বিক্রি করতে পারছেন না। ফলে চামড়া কিনে ন্যায্য দামে বিক্রি করতে না পারার কারণে লোকসানের মুখ দেখার আশঙ্কা করছেন তারা।

এ প্রসঙ্গে একজন মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী জানান, মিরপুর এলাকা থেকে প্রায় দেড় হাজার পিস চামড়া কিনেছেন। এরপর তা বিক্রি করতে তিনি লালবাগের পোস্ত এলাকার পাইকারদের কাছে যান। কিন্তু পাইকাররা গড়ে সাতশ’ টাকার বেশি দাম হাকছেন না।

চামড়া কিনে বিপদে পড়েছেন আনোয়ার নামের আরেকজন মৌসুমি ব্যবসায়ী। মগবাজার এলাকা থেকে চামড়া কিনেছেন তিনি। তিনি জানান, তার মতো শত শত মৌসুমি ব্যবসায়ী চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছেন।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, চামড়ার বাজার এখন একেবারেই ভালো না। যে কারণে চামড়ার দাম কমে গেছে। বিগত তিন দশক পর এখন চামড়ার দাম সর্বনিম্ন বলেও জানান তিনি।

আগের ঈদের সময় দেখা গেছে, সাধারণত ঈদের দিন দুপুর থেকেই পাইকাররা তৎপর হন; বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ঘুরে ঘুরে তারা মৌসুমি ব্যবসায়ীরে কাছ থেকে চামড়া কিনে নেন। কিন্তু এবার দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। দুপুর গড়িয়ে বিকাল হলেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা চামড়া নিয়ে পাইকারের অপেক্ষায় বসে থাকতে দেখা গেছে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের। 

এদিকে এবার রাজধানীর মৌসুমি ব্যবসায়ীদের ১২ থেকে ২৫ বর্গফুটের প্রতিটি চামড়া  ৭০০থেকে দেড় হাজার টাকার মধ্যে কিনতে পরামর্শ দিয়েছেন ট্যানারি মালিকরা। আর ঢাকার বাইরে এই সাইজের চামড়া ৩০০ থেকে ৯০০ টাকার মধ্যে কেনার জন্য বলা হয়েছে।

তবে পাইকার ও ট্যানারি মালিকদের দাবি, তারা সরকার নির্ধারিত দামেই চামড়া কিনছেন। তাছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারেও চামড়ার দাম কম। তাই চাইলেও বেশি দামে চামড়া কিনতে পারছেন না তারা।

পিডিএসও/তাজ