চলতি অর্থবছরের শুরুতে রফতানিতে সুখবর

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০১৮, ১৯:২৭

অনলাইন ডেস্ক

দেশের রফতানির পালে হাওয়া লেগেছে। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে পণ্য রফতানি থেকে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি অর্থ দেশে এসেছে। পোশাক রফতানি বেড়েছে প্রায় ২২ শতাংশ।

সম্প্রতি রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রফতানি আয়ের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বিভিন্ন পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ ৩৫৮ কোটি ১৫ লাখ ডলার আয় করেছে। তা গত বছরের জুলাই মাসের চেয়ে ১৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাইয়ে ২৯৮ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি  হয়েছিল। জুলাইয়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে প্রায় ৭ শতাংশ। এই মাসে লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ৩৩৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

ইপিবির তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, জুলাইয়ে মোট রফতানি আয়ের ৮৪ দশমিক ২৫ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক রফতানি থেকে। অর্থাৎ ৩৫৮ কোটি ১৫ লাখ ডলারের মধ্যে ৩০১ কোটি ৭৭ লাখ ডলারই এই খাত থেকে এসেছে। এর মধ্যে নিট পোশাক রফতানি থেকে এসেছে ১৫২ কোটি ৭১ লাখ ডলার; প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

ওভেন পোশাক রফতানি করে আয় হয়েছে ১৪৯ কোটি ডলার; প্রবৃদ্ধি ২২ দশমিক ৫৯ শতাংশ। অন্যান্য পণ্যের মধ্যে জুলাইয়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি বেড়েছে ১৫ শতাংশ। স্পেশালাইজড টেক্সটাইল রফতানি বেড়েছে ৫৩ শতাংশ। হোম টেক্সটাইল বেড়েছে ৩ দশমিক ৬২ শতাংশ। ওষুধ রফতানি বেড়েছে ২২ শতাংশ। হস্তশিল্প থেকে আয় বেড়েছে ১১ শতাংশ।

এছাড়া প্লাস্টিক পণ্য রফতানি ১৩ শতাংশ, তামাক ৯৭ শতাংশ, শাকসবজি ৪৭ শতাংশ এবং শুকনো খাবার রফতানি ১৩৪ শতাংশ বেড়েছে। তবে হিমায়িত মাছ রফতানি ৩১ শতাংশ কমেছে। চামড়া এবং চামড়াজাত পণ্য রফতানি কমেছে ২২ শতাংশ। চা রফতানি কমেছে ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ। 

প্রসঙ্গত, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ ৩ হাজার ৬৬৬ কোটি ৮২ লাখ (৩৬.৬৬ বিলিয়ন) ডলার আয় করে। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারই এসেছে তৈরি পোশাক রফতানি থেকে। তবে সার্বিক রফতানি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের চেয়ে ৫ দশমিক ৮১ শতাংশ বাড়লেও তা ছিল লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ২২ শতাংশ কম। 

পিডিএসও/তাজ