উন্নয়নশীল দেশের জন্য প্রয়োজন সুশাসন : সিপিডি

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০১৮, ২১:৪৯ | আপডেট : ১০ মার্চ ২০১৮, ২২:০৫

অনলাইন ডেস্ক

স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতে কয়েকটি চ্যালেঞ্জ সামনে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, দেশে সুশাসন থাকলে উত্তরণ সুযোগ হিসাবে দেখা দেবে। আর উত্তরণকে সুযোগ হিসাবে কাজে লাগাতে হলে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ গ্র্যাজুয়েশন ফরম দ্য এলডিসি গ্রুপ পিটফলস অ্যান্ড প্রমিসেস’ শীর্ষক এক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। 

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘এই বছরে স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হলেও ২০২৪ সাল পর্যন্ত সব সুযোগ পাওয়া যাবে। তবে মসৃণ উত্তরণের জন্য জাতিসংঘ তিন বছর পর্যবেক্ষণ করবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘সুশাসন যদি না থাকে, তাহলে দেশে স্থিতিশীলতা থাকবে না। সেক্ষেত্রে নীতির গুণগত মান এবং যেসব প্রতিষ্ঠান আমাদের সমাজকে ধরে রাখে সেগুলোয় দুর্বলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। দেশের ভেতরে স্থিতিশীলতা ও ঐক্যবোধ না থাকে তাহলে উত্তরণকে সুফল হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে না।’ 

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের ঘটনাকে সাম্প্রতিক উন্নয়ন ইতিহাসের একটি অনন্য ঘটনা উল্লেখ করে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘এর আগে যেসব দেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়েছে, সেগুলো খুব ছোট দেশ ছিল। জনসংখ্যা কম ছিল, উৎপাদনের পরিমাণও কম ছিল।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশের এই উত্তরণে সঙ্গে আরো একাধিক উত্তরণ যুক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশ স্বল্প আয়ের দেশ থেকে এরই মধ্যে বের হয়ে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন এসডিজি বা বৈশ্বিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের দিকে যাচ্ছে। এখন বাংলাদেশ উন্নত দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এই রকম একটা পর্যায়ে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়াটা এক ধরনের নতুন তরল দেবে।’

সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহানের সভাপতিত্বে সংলাপে আরো বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম, সিপিডির সম্মানীত ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রমুখ।

পিডিএসও/তাজ