সিআইপি হচ্ছেন শিল্প খাতের ৪৮ ব্যবসায়ী

প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

শিল্প খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৪৮ ব্যবসায়ীকে ‘বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (সিআইপি-শিল্প) নির্বাচিত করেছে সরকার। আগামী ২০ নভেম্বর রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সিআইপি সম্মাননা দেওয়া হবে।

গতকাল শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, বিশেষ অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, শিল্পমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এবং এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, পণ্য উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জাতীয় আয় বৃদ্ধিসহ দেশের অর্থনীতিতে অবদানের জন্য সিআইপি (শিল্প) নির্বাচন নীতিমালা-২০১৪ অনুযায়ী, ২০১৭ সালের জন্য ৪৮ জন ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাকে নির্বাচন করা হয়। জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদের ছয়জনসহ আটটি ক্যাটাগরিতে ৪২ জন সিআইপি সম্মাননা পাবেন। ২০১৭ সালের জন্য মনোনীত এসব সিআইপি এক বছরের জন্য পরিচয়পত্র পাবেন, যা দিয়ে বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিতে পারবেন। জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (এনসিআইডি) ক্যাটাগরিতে সিআইপি (শিল্প) নির্বাচিত হয়েছেন ৬ জন, বৃহৎ শিল্প (উৎপাদন) খাতে সিআইপি হয়েছেন ১৫ জন, বৃহৎ শিল্প (সেবা) খাতের ৫ জন, মাঝারি শিল্প (উৎপাদন) খাতে ৯ জন, মাঝারি শিল্প (সেবা) খাতের তিনজন, ক্ষুদ্র শিল্প (উৎপাদন) খাতের ৫ জন, ক্ষুদ্র শিল্প (সেবা) খাতের একজন, মাইক্রো শিল্প খাতে দুজন এবং কুটির শিল্প খাতে দুজন সিআইপি (শিল্প) নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, নির্বাচিত সিআইপিরা কার্ড পাওয়ার পর থেকে এক বছরের জন্য ব্যবসাসংক্রান্ত ভ্রমণের সময় বিমান, রেলপথ, সড়ক ও জলপথে সরকারি যানবাহনে আসন সংরক্ষণের অগ্রাধিকার পাবেন। সহজে ভিসা পাওয়ার জন্য তাদের অনুকূলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে ‘লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন’ দেবে। বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহারের সুবিধা এবং সচিবালয়ে প্রবেশের পাস পাবেন তারা। এছাড়া সরকারি হাসপাতালে স্ত্রী, সন্তান ও নিজের চিকিৎসাসেবা গ্রহণে অগ্রাধিকার পাবেন। সরকার শিল্পবিষয়ক নীতিনির্ধারণী কোনো কমিটিতে সিআইপিদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। বিদেশে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বৈঠকের সুযোগ পাবেন সরকারি নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে।

"