ফ্রিজে ১০০ শতাংশ ক্যাশ ভাউচার দিচ্ছে মার্সেল

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৫-এর আওতায় ‘উইন্টার ফ্রিজ ফেস্টিভ্যাল’ ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৫-এর আওতায় শুরু হলো ‘উইন্টার ফ্রিজ ফেস্টিভ্যাল’। অনলাইনে দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সারা দেশে এই ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে দেশের অনত্যম শীর্ষ ইলেকট্রনিকস ব্র্যান্ড মার্সেল।

ক্যাম্পেইনের প্রতি সিজনেই ক্রেতাদের জন্য চমকপ্রদ সব সুবিধা দিয়ে আসছে তারা। এবার সিজন-৫-এ রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ ক্রেতাদের ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশ ভাউচার পাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে মার্সেল। পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন অঙ্কের নিশ্চিত ক্যাশব্যাক।

গত সোমবার রাজধানীতে মার্সেল করপোরেট অফিসে আয়োজিত ‘ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে’ এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দেশের যেকোনো মার্সেল শোরুম থেকে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজার কিনে এসএমএস কিংবা অনলাইনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করবেন ক্রেতা। এরপর ফিরতি এসএমএসে ক্রেতাকে ক্যাশ ভাউচার অথবা ক্যাশব্যাকের অঙ্ক জানিয়ে দেওয়া হবে। প্রাপ্ত ক্যাশব্যাক ক্রয় করা পণ্যের মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করা যাবে, ওই টাকা দিয়ে নতুন পণ্যও কেনা যাবে।

ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ইভা রিজওয়ানা, ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, আমিন খান, আরিফুল আম্বিয়া, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শাহজাদা সেলিম এবং অপারেটিভ ডিরেক্টর রবিউল আলম ভূঁইয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ফিরোজ আলম।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ক্রেতার নাম, ফোন নম্বর এবং পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য মার্সেলের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে, ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে গেলেও দেশের যেকোনো মার্সেল সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত কাক্সিক্ষত সেবা নিতে পারবেন গ্রাহক। সংশ্লিষ্টরাও গ্রাহকের চাহিদা, রুচি ও প্রয়োজনীয় পণ্য সম্পর্কে তাদের ফিডব্যাক জানতে পারবেন। এসব তথ্য মার্সেলের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগকে উদ্ভাবনী নতুন মডেলের পণ্য বাজারে আনতে সহায়তা করবে। এই কার্যক্রমে ক্রেতাদের উদ্বুদ্ধ করতেই ক্যাশ ভাউচারের সুবিধা দিচ্ছে মার্সেল। ক্যাম্পেইনের আগের চার সিজনে নতুন গাড়ি, আমেরিকা ও রাশিয়া ভ্রমণের ফ্রি বিমান টিকিট ছাড়াও ক্রেতারা কোটি কোটি টাকার ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন। ছিল মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, টিভি এবং এসিসহ বিপুল পরিমাণ মার্সেল পণ্য ফ্রি।

মার্সেলের হেড অব সেলস ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন, সাশ্রয়ী দাম, উচ্চমান, কিস্তি সুবিধায় কেনার সুযোগ, সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা, ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে দেওয়া বিশেষ সুবিধা, সব মিলিয়ে ক্রেতা পছন্দের শীর্ষে মার্সেল ফ্রিজ। দেশের বাজারে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মার্সেলের মার্কেট শেয়ার।

তিনি জানান, চলতি বছর ৩ লাখ ৬০ হাজার ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। বছরের প্রথম নয় মাসে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন লাখ সাত হাজার ফ্রিজ বিক্রি হয়েছে গেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৭ শতাংশ বেশি। মার্সেল ফ্রিজে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশ ভাউচার এবং নিশ্চিত ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ থাকায় ফ্রিজ বিক্রি আরো বাড়বে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বছর শেষ হওয়ার আগেই মার্সেল ফ্রিজের বিক্রি লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।

বিপণনকর্মীরা জানান, স্থানীয় বাজারে প্রায় দেড় শ মডেলের ফ্রস্ট, নন-ফ্রস্ট, ডিপ ফ্রিজ ও বেভারেজ কুলার রয়েছে মার্সেলের। এগুলোর দাম ১৮ হাজার টাকা থেকে ৬৫ হাজার টাকার মধ্যে। এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধার পাশাপাশি ফ্রিজের কম্প্রেসারে ১২ বছরের গ্যারান্টি দিচ্ছে মার্সেল। দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে সারা দেশে তাদের রয়েছে ৭৫টিরও বেশি সার্ভিস পয়েন্ট।

 

"