কৃষি আধুনিকায়নে চীনের সহযোগিতার আহ্বান

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের পরই কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি খাত। এর বৈশ্বিক বাজারে দেশের উৎপাদিত কৃষি পণ্যের রফতানি বৃদ্ধিতে এ খাতের বহুমুখীকরণ এবং বিশেষ করে প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নের জন্য চীনের বিনিয়োগ ও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে ডিসিসিআই ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী।

গতকাল ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং বাংলাদেশ সফররত চীনের লিয়াওনিং ফেডারেশন অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মধ্যকার বিজনেস ম্যাচ-মেকিং সভায় এই আহ্বান জানান তিনি।

চীনের লিয়াওনিং ফেডারেশন অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান ঝাও ইয়ানকিংয়ের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদল বিজনেস ম্যাচ-মেকিংয়ে অংশ নেয়।

চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য সহযোগী দেশ এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরের চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১২ দশমিক ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা কিনা বাংলাদেশের সার্বিক বৈদেশিক বাণিজ্যের ১৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ। একই অর্থবছরে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ঢাকা চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বলেন, ২০১৮ সালে বাংলাদেশে চীনের সরাসরি বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১.০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার অধিকাংশই ছিল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, তৈরি পোশাক এবং আর্থিক খাতে।

ওয়াকার চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের কৃষি খাতে চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন।

এ ছাড়া তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ইলেকট্রনিকস এবং অটোমোবাইল প্রভৃতি খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ডিসিসিআই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চীনের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রতিনিধিদলের দলনেতা ঝাও ইয়ানকিং বলেন, লিয়াওনিং প্রদেশটি চীনের উত্তর-পূর্বদিকে অবস্থিত, যা ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে জাপান, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও মঙ্গোলিয়ার বেশ নিকটবর্তী এবং এ অঞ্চলের দেশসমূহে বাংলাদেশের পণ্য রফতানির লক্ষ্যে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের লিয়াওনিং প্রদেশে বিনিয়োগ করতে পারে।

তিনি বাংলাদেশ ও লিয়াওনিং প্রদেশের মধ্যকার বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য চেম্বারগুলোর মধ্যকার যোগাযোগ আরো বৃদ্ধির ওপর জোরারোপ করেন।

"