ইপিজেড-ইজেডসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয় জরুরি

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) ‘বিজনেস ফ্যাসিলিটেশন ইন ইপিজেড/ইজেড বাই ব্যাংকসবিষয়ক’ শীর্ষক গবেষণা কর্মশালার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকার ১০০ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। এসব ইজেড এবং ইপিজেডের পুরোপুরি অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন এবং অন্যান্য অবকাঠামো ও প্রণোদনা-সংক্রান্ত সহযোগিতার পাশাপাশি সহায়ক ব্যাংক ও ঋণসেবা দেওয়া জরুরি।

গতকাল রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে ‘বিজনেস ফ্যাসিলিটেশন ইন ইপিজেড/ইজেড বাই ব্যাংকস’ শীর্ষক গবেষণা কর্মশালায় উপস্থাপিত গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান।

কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক এবং পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেলাল আহমদ চৌধুরী; বিআইবিএমের সাবেক সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলী; ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবু জাফর; এইসএসবিসি ব্যাংকের গ্লোবাল ট্রেড এবং রিসিভেবল ফাইন্যান্স বিভাগের কান্ট্রি হেড মোহাম্মদ শহিদুজ্জামান। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের ড. মোজাফফর আহমদ চেয়ার প্রফেসর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা। স্বাগত বক্তব্য দেন বিআইবিএমের অধ্যাপক এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. শাহ মো. আহসান হাবীব।

কর্মশালায় মূল গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের অধ্যাপক এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. শাহ মো. আহসান হাবীব। কর্মশালায় গবেষণা দলে অন্যদের মধ্যে রয়েছেন বিআইবিএমের সহকারী অধ্যাপক অন্তরা জেরীন এবং তোফায়েল আহমেদ; বাংলাদেশ ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক আনিসুর রহমান; বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক প্রদীপ পাল; বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালক জান্নাতুল ফেরদৌস তানিয়া; বিইপিজেডের মহাব্যবস্থাপক মো. তানভীর হোসেন; ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের এসইভিপি রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী; এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রফিকুল ইসলাম।

কর্মশালার উদ্বোধন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে রূপান্তরে কাজ করছে সরকার। এ জন্য ১০০টি সরকারি এবং বেসরকারি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। এসব বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পণ্যের বৈচিত্র্য আনয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রফতানি বাড়ানো।

পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, ব্যাংকারদের বৈশ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। ব্যাংকারদের এলসি এবং আনুষঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকলে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না।

বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলী বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে দক্ষ জনবল তৈরি জরুরি। দক্ষ জনবল ছাড়া উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা কঠিন। তিনি ব্যাংকারসহ সব খাতের কর্মীদের প্রশিক্ষণের ওপর জোরারোপ করেন।

সমাপনী বক্তব্যে বিআইবিএমের চেয়ার প্রফেসর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা বলেন, এখন বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং রফতানিভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা। ইপিজেড এবং ইজেড এ লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

 

"