২০১৮-১৯ অর্থবছর

সেবা রফতানিতে আয় ৫৪১ কোটি ডলার

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

পণ্য রফতানির মতো দেশের সেবা রফতানিতেও এসেছে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি। সদ্য শেষ হওয়া ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই থেকে মে) দেশের সেবা খাতে রফতানি আয় এসেছে ৫৪১ কোটি ৮৪ লাখ ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ৪০ শতাংশের বেশি। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্চ প্রবৃদ্ধির সঙ্গে লক্ষ্যমাত্রাও ছাড়িয়েছে সেবা খাতের রফতানি আয়। গেল অর্থবছরের ১১ মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে সেবায় রফতানি বেড়েছে ১৮ দশমিক ২২ শতাংশ। জুলাই থেকে মে সময়ের বিভিন্ন ধরনের সেবা রফতানি খাতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৫৮ কোটি ডলার। রফতানির এ আয়ের মধ্যে সরাসরি সেবা খাত থেকে এসেছে ৫৩১ কোটি ৩১ লাখ ডলার। বাকিটা দেশের বন্দরগুলোর পণ্যবাহী জাহাজের কেনা পণ্য ও সেবা এবং মার্চেন্টিংয়ের অধীনে পণ্য বিক্রির আয়।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী, একক মাস হিসেবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মে মাসে সেবা খাতে আগের অর্থবছরের তুলনায় রফতানি আয় বেশি হয়েছে ২৪ দশমিক ৩২ শতাংশ। মে মাসে এ খাতে আয় হয়েছে ৫৬ কোটি ডলার, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪৫ কোটি ডলার। আর ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মে মাসে সেবা খাতে কৌশলগত টার্গেট ছিল ৪১ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার। সেই হিসাবে টার্গেট থেকে আয় বেশি হয়েছে ৩৪ দশমিক ৪০ শতাংশ। সেবার অন্য উপখাতগুলোর মধ্যে ‘অন্যান্য ব্যবসায় সেবা’ থেকে ৯১ কোটি ২১ লাখ ডলার, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি থেকে ৫০ কোটি ৮৯ লাখ ডলার, বিভিন্ন ধরনের পরিবহন সেবা থেকে ৬১ কোটি ৮৪ লাখ ডলার, ভ্রমণ সেবা উপখাত থেকে ৩৪ কোটি ২৩ লাখ ডলার এবং বিমা ছাড়া আর্থিক সেবা খাত থেকে ১২ কোটি ৩৫ লাখ ডলার রফতানি আয় হয়েছে।

ইপিবি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সংগ্রহকৃত পরিসংখ্যানটিকে মোট তিনটি ভাগে সেবা খাতে রফতানি আয়ে সংকলন করা হয়েছে। এ তিনটি ভাগ হলো গুডস প্রকিউরড ইন পোর্টস বাই ক্যারিয়ারস, গুডস সোল্ড আন্ডার মার্চেন্টিং ও সার্ভিসেস।

বাংলাদেশ থেকে রফতানি হওয়া সেবা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ম্যানুফ্যাকচারিং সার্ভিসেস অন ফিজিকাল ইনপুটস, মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড রিপেয়ার, ট্রান্সপোর্টেশন, কনস্ট্র্রাকশন সার্ভিসেস, ইনস্যুরেন্স সার্ভিসেস, ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, চার্জেস ফর দি ইউজ অব ইন্টালেকচুয়াল প্রপার্টি, টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিসেস, আদার বিজনেস সার্ভিসেস, পার্সোনাল-কালচার-রিক্রিয়েশনাল ও গভর্নমেন্ট গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস।

এর আগে দেশের পণ্য রফতানিতেও বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪ হাজার ৫৩ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি।

"