উপকূলীয় এলাকায় লবণসহিষ্ণু ফসল উদ্ভাবন

প্রকাশ : ১২ জুন ২০১৯, ০০:০০

খুলনা প্রতিনিধি

খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় লবণাক্ত জমি রয়েছে। ওই এলাকার কৃষিজ পরিবেশ অন্য এলাকা থেকে আলাদ। নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ওই উপকূলীয় এলাকায় কীভাবে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায়, সে জন্য সরকারি-বেসরকারি ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নানা গবেষণা হচ্ছে। লবণাক্ত জমিতে চাষযোগ্য ভুট্টা, তরমুজ, সূর্যমুখীসহ লবণসহিষ্ণু বিভিন্ন প্রজাতি উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়েছে। পরীক্ষামূলক উৎপাদনে সফলতাও পাওয়া গেছে। এ ধরনের নতুন নতুন প্রযুক্তি খুব অল্প সময়ের মধ্যে মিডিয়ার মাধ্যমে চমৎকারভাবে জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। নতুন প্রযুক্তির সফলতা নিয়ে মিডিয়ায় প্রচার হলে সেই প্রযুক্তি কৃষকদের মাঝে সম্প্রসারণ করা অত্যন্ত সহজ হবে। ফলে উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং রফতানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন সম্ভব হবে।

গতকাল মঙ্গলবার খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের প্রশিক্ষণ হলে অনুষ্ঠিত ‘আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার’ শীর্ষক প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাগ্রোটেক ডিসিপ্লিন প্রধান অধ্যাপক ড. সরদার সফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন। খুলনা কৃষি তথ্য সার্ভিসের আঞ্চলিক কার্যালয় এই কর্মশালার আয়োজন করে। খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ৩০ জন সাংবাদিক কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের খুলনা কার্যালয়ের উপপরিচালক পঙ্কজ কান্তি মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহন কুমার ঘোষ, দৌলতপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন এবং বিটিভির খুলনা প্রতিনিধি মকবুল হোসেন মিন্টু।

 

"