বাজেটে কৃষি খাতকে লাভজনক করার পরিকল্পনা

প্রকাশ : ১০ জুন ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে বাংলাদেশ এখন উদ্বৃত্ত খাদ্যশস্যের দেশ। তাই গতানুগতিক বাজেট পরিকল্পনা দিয়ে কৃষি ও কৃষকের প্রয়োজন মেটানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এর সঙ্গে একমত হয়ে কৃষিমন্ত্রী বলছেন, আসন্ন বাজেটে এ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েই কৃষি বাজেট সাজানো হয়েছে, যাতে করে কৃষিকে লাভজনক পর্যায়ে উন্নীত করা যায়।

উন্নত জাতের ফসল-ফলাদির চাষাবাদে দেশে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ বাম্পার ফলন এসেছে বোরো ধানের আবাদে। কিন্তু ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় মাথায় হাত কৃষকের। সংরক্ষণের নেই পর্যাপ্ত ব্যবস্থা।

তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিক্রিয়া হলো, দিনের পর দিন উৎসাহ হারিয়ে কৃষি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন কৃষক। বাস্তবতায় সরকারের উদ্যোগের কোনো বিকল্প দেখছেন না তারা। বিশ্লেষকরদের মত, সরকারি হোক আর বেসরকারি, গড়ে তুলতে হবে পর্যাপ্ত মজুদ ব্যবস্থাপনা। সরাসরি কৃষকপর্যায়ে কিনতে হবে কৃষিজপণ্য।

ব্যয়বহুল শ্রমিকনির্ভর নয়, উৎপাদন খরচ কমাতে যেতে হবে যান্ত্রিকীকরণে। কৃষি হবে বাণিজ্যিক, প্রতিটি পণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ বাড়াতে হবে উপযোগ্য। সবকিছুরই প্রতিফলন থাকতে হবে বাজেটে। পোলট্রি, ডেইরি কিংবা মৎস্য খাতে কমাতে হবে ঋণের উচ্চসুদ আর প্রাণিসম্পদ খাতে প্রযুক্তিনির্ভরতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিমাব্যবস্থা চালুর বিকল্প দেখছেন না বিশ্লেষকরা।

এবারই প্রথম সার, বীজ, কীটনাশকসহ ভর্তুকির ৯ হাজার কোটি টাকার বড় একটা অংশ থাকছে ধান কাটার হারভেস্টার মেশিন কেনায়। যেখানে ৫০ থেকে ৭০ ভাগ খরচ বহন করবে সরকার। কৃষিমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাস্তবতা মেনেই নতুন পরিকল্পনায় সাজানো হয়েছে কৃষি বাজেট।

 

 

"