বাংলাদেশে বিনিয়োগে বেলজিয়ামের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান

প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য বেলজিয়ামের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি ওসামা তাসীর। গতকাল রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার কার্যালয়ে সংগঠনটির সভাপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতে নিযুক্ত বেলজিয়ামের রাষ্ট্রদূত ফ্রাসোয়া ডেলহাই। এ সময় রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে বেলজিয়ামের উদ্যোক্তাদের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান ঢাকা চেম্বারের সভাপতি।

তিনি বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও বেলজিয়ামের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৮২১ দশমিক ০৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। দুদেশের মধ্যকার বাণিজ্য আরো সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশে বেলজিয়ামের দূতাবাস খোলার আহ্বান জানাচ্ছি। এটি দুদেশের জনগণের দ্রুততম সময়ে ভিসাপ্রাপ্তিসহ অন্যান্য সেবা নিশ্চিত করবে। বেলজিয়ামের উদ্যোক্তাদের পাট ও পাটজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, হোম টেক্সটাইল, জাহাজ নির্মাণ, ফার্মাসিউটিক্যাল, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াকরণ, চামড়া ও পাদুকা, তথ্যপ্রযুক্তি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, অবকাঠামো, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এবং সমুদ্রবন্দর ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়। এ সময় ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, সহসভাপতি ইমরান আহমেদ, বেলজিয়াম দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সিলর গিলেম শকে এবং ব্যবসা ও বিনিয়োগবিষয়ক কমিশনার হিউবার্ট গোফিনে উপস্থিত ছিলেন। বেলজিয়ামের রাষ্ট্রদূত ফ্রাসোয়া ডেলহাই বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগের অনেক সম্ভাবনাময় খাত রয়েছে। বেলজিয়ামের উদ্যোক্তারা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, বন্দর স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা, ড্রেজিং, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষি ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রভৃতি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। বাংলাদেশে বেলজিয়ামের বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য এ বছরের শেষ নাগাদ বেলজিয়ামের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে। রাষ্ট্রদূত বেলজিয়ামসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বাজার সম্প্রসারণে ঢাকা চেম্বার থেকে প্রতিনিধিদল পাঠানোর প্রস্তাব করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকার জন্য গবেষণা ও উদ্ভাবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বেলজিয়ামের উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে নতুন নতুন পণ্য উদ্ভাবনে গবেষণা, প্রযুক্তির সম্প্রসারণে সহায়তা দিতে পারে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে আরো বেশি হারে বিনিয়োগ করলে স্থানীয় জনগণের দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ ও বাজার সম্প্রসারণ হবে।

"