গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি : গণশুনানি আজ

প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্যাসের দাম পুনর্নির্ধারণের লক্ষ্যে আজ সোমবার থেকে তিন দিনব্যাপী গণশুনানি শুরু হচ্ছে। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধিতে পেট্রোবাংলা, জিটিসিএল এবং বিতরণকারী কোম্পানিগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ গণশুনানি আয়োজন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বিইআরসি সূত্র জানায়, সব শ্রেণির গ্যাসের দাম গড়ে ৬৬ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিতরণ কোম্পানিগুলো। গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত দুই চুলার গ্যাসের বিদ্যমান দাম ৮৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করতে চায় তারা। সিএনজির দাম বাড়ার হার সবচেয়ে বেশি হতে পারে। গণশুনানির প্রথম দিন আজ সোমবার সকালে দাম বাড়ার প্রস্তাবনার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করবে এ খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত সঞ্চালন মাশুল বৃদ্ধির পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করবে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল)।

এ ছাড়া মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ও দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির, বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ও দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জালালাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির এবং বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ও দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানির প্রস্তাবনার ওপর শুনানি গ্রহণ করা হবে। রাজধানীর কারওয়ানবাজারের টিসিবি মিলনায়তনে এ গণশুনানির আয়োজন করা হয়েছে।

নতুন প্রস্তাবে বাসাবাড়িতে দুই বার্নার চুলার গ্যাসের দাম ৮৫০ থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং এক বার্নারের দাম ৭৫০ থেকে বৃদ্ধি করে ১ হাজার টাকার কথা বলা হয়েছে। আবেদন গৃহীত হলে আবাসিক ছাড়াও দাম বাড়বে বিদ্যুৎকেন্দ্র, ক্যাপটিভ পাওয়ার, সিএনজি, শিল্প ও সার কারখানায় ব্যবহৃত গ্যাসের।

সর্বশেষ ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্যাসের দাম গড়ে ২২ দশমিক ৭০ শতাংশ বাড়ানো হয়। সে বছরের মার্চ ও জুলাই থেকে দুই ধাপে তা কার্যকর করার কথা ছিল।

 

"