চোরাচালান প্রতিরোধে কাস্টমসে হটলাইন ও মোবাইল অ্যাপ

প্রকাশ | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশ কাস্টমস হটলাইন ও মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে জানানো যাবে চোরাকারবারিদের সব ধরনের তথ্য। কাস্টমস হটলাইনের নাম্বার-০২৪৮৩২১১০০। আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে কাস্টমসের নিলাম প্রক্রিয়াও এখন থেকে হবে অনলাইনে। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে দ্য লাউঞ্জিং সেরিমনি অব ন্যাশনাল ইনকোয়ারি পয়েন্ট (এনইপি), কাস্টমস হটলাইন অ্যান্ড ই-অকশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। ইউএসআইডির সহায়তায় কাস্টমসের এই আধুনিকায়ন করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। এম এ মান্নান বলেন, কাস্টমসের আধুনিকায়নের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে সরকার আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল। এর মাধ্যমে কাস্টমের নানা ক্ষেত্রে আরো স্বচ্ছতা আসবে। তবে এ ধরনের যেকোনো অ্যাপ্লিকেশনে বাংলায় হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, গত ১০ বছরে বাংলাদেশ যে স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি অর্জন করেছে আগামী দিনেও তা ধরে রাখতে সকলকে কাজ করতে হবে। এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আমরা প্রথমবারের মতো ন্যাশনাল ইনকোয়ারি পয়েন্ট চালু করলাম। এর মাধ্যমে বাণিজ্য সংক্রান্ত কোনো তথ্য বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে যে কেউ জানতে পারবেন। প্রশ্ন কর্তা সঙ্গে সঙ্গেই তার উত্তর পাবেন। একইভাবে হটলাইনেও যেকোনো তথ্য জানানো যাবে। এতে চোরাচালান প্রতিরোধ হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, হটলাইনে জটিল প্রশ্নের সমাধান সর্বোচ্চ ৯৬ ঘণ্টার মধ্যেই পাওয়া যাবে। চোরাচালানও প্রতিরোধ হবে। অটোমেশন একটি চলমান প্রক্রিয়া। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে তা অব্যাহত থাকবে। কাস্টমসের নতুন এই কার্যক্রম স্বাগতম জানিয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, কাস্টমসের ডিজিটালাইজেশনর মাধ্যমে গ্রাহক পর্যায়ে অনেক ভোগান্তি কমবে। আর হটলাইনের মাধ্যমে তথ্য পাওয়ায় কাস্টমসে নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে বলে আমার বিশ্বাস।

আয়োজকরা জানান, কাস্টমস হটলাইনের নাম্বার ০২৪৮৩২১১০০। ইমেইল করেও জানানো যাবে চোরাচালীদের তথ্য। আর কাস্টমসের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে পাওয়া যাবে সব তথ্য। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন এনবিআর সদস্য (কাস্টমস অডিট, মর্ডানাইজেশন অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড) খন্দকার মোহাম্মদ আমিনুর রহমান ও ইউএসআইডি বাংলাদেশের মিশন ডিরেক্টর ডেরিক এস ব্রাউনসহ এনবিআর ও ইউএসআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

"