তৈরি পোশাক কারখানা

শতভাগ বেতন-বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে : বিজিএমইএ

প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে জুলাই মাসের বেতনভাতা ও ঈদুল আজহার বোনাস শতভাগ পরিশোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি কিছু কারখানায় আগস্ট মাসের অগ্রিম বেতন দেওয়া হয়েছে। গতকাল বিকালে বিজিএমইএ ভবনের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন সংগঠনটির ১ম সহ-সভাপতি মঈনউদ্দিন আহমেদ (মিন্টু)।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি এস এম মান্নান (কচি), সহ-সভাপতি (অর্থ) মোহাম্মদ নাছির, পরিচালক মো. মুনির হোসেন ও পরিচালক আ ন ম সাইফউদ্দীন প্রমুখ।

তিনি বলেন, ঈদের আগে শ্রমিকরা যাতে সুষ্ঠুভাবে বেতনভাতা ও বোনাস পায় সে লক্ষ্যে সরকার ও বিজিএইএর মিলে অগ্রিম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। যার মধ্যে বৃহত্তর ঢাকাকে মোট ১৫টি জোনে ভাগ করে মোট ১৫টি আঞ্চলিক/জোনভিত্তিক কমিটি গঠন করা হয়। যারা গত ১ মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় কাজ করছে। তাছাড়া প্রতি বছরের মতো এ বছরও বিজিএমইএ ক্রাইসিস কন্ট্রোর রুম খোলা হয়েছিল। এ কারণে এ বছর কারখানাগুলোতে তেমন কোনো সমস্যা হতে দেখা যায়নি।

তিনি আরো বলেন, ঈদের আগে বেতনভাতা বিষয়ে সমস্যা হতে পারে এ রকম আশঙ্কায় ৭০০টি কারখানাকে ক্লোজ মনিটরিং করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে বেতনভাতা বিষয়ে সমস্যার ধরন বুঝে সমাধানের উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়। তাছাড়া বিজিএমই এর সরাসরি হস্তক্ষেপে ২১টি কারখানার শ্রমিকদের বেতনভাতাদি নিশ্চিত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে কারখানার সমস্যার ধরন বুঝে বিজিএমইএ শ্রমিক, মালিক, ফেডাশেন নেতাদের সঙ্গে যৌথ আলোচনাপূর্বক মালিকরা যাতে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে শ্রমিকের বেতন পরিশোধ করতে পারেন, সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, এ মুহূর্তে বেতনভাতা পরিশোধ বিষয়ে সমাধান করা হয়নি এ রকম একটি কারখানাও নেই।

মঈনউদ্দিন আহমেদ বলেন, কিছু কারখানাতে অসন্তোষ হয়েছে আইন বহির্ভুত ইস্যুতে। তারা ঈদ উপলক্ষে ছুটি প্রদান এবং আগস্ট মাসের আংশিক অগ্রিম বেতন প্রদান নিয়ে সমস্যা করেছে। যে দুইটি ব্যাপারে আইনগত বাধ্যবাধকতা ছিল না। সেসঙ্গে বেশ কিছু কমপ্লায়েন্ট কারখানা, যেগুলোতে নিবন্ধিত ট্রেড ইউনিয়ন রয়েছে এবং যথাযথভাবে বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছে, সেগুলোতে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়েছে। আবার প্রচলিত নিয়মের বাইরে বাড়তি বোনাসের দাবিতে কোন কোন কারখানাতেও শ্রমিকরা সমস্যা করেছে।

"