বিজিএমইএর সংবাদ সম্মেলন

চলমান পরিস্থিতিতে রফতানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্প সংকটে পড়েছে

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

গত এক সপ্তাহে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে ঠিকমতো পোশাক শিল্পের আমদানি ও রফতানি পণ্য আনা নেওয়া করা সম্ভব হয়নি। এতে বন্দরের কন্টেইনার ভর্তি রফতানিযোগ্য পণ্য পড়ে আছে। আর জাহাজীকরণের অপেক্ষায় কারখানায় পড়ে আছে তৈরি পণ্য। এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে রফতানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়কের আন্দোলনকে আমরাও সাপোর্ট করি। কিন্তু এতে করে বেশ কিছু বিদেশী ক্রেতা আমাদের সঙ্গে তাদের ট্রিপ বাতিল করেছে। সে জন্য আমরা দ্রুত এই এই পরিস্থিতির সমাধান আশা করছি বলে মন্তব্য করেছেন বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। গতকাল রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনে চলমান ছাত্র আন্দোলন এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি বিষয়ে বিজিএমইএ’র এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সিদ্দিকুর রহমান বলেন, যানবাহন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে অনেক কারখানা স্টকলটের শিকার হবে। অনেক কারখানা এয়ার ফ্লেইট করতে বাধ্য হবে। এর মাশুল দিতে হবে পোশাক শিল্পকে। আমরা যখন অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের সকল শর্ত পূরণ করে নিজেদের মতো করে চলার প্রস্তুতি নিচ্ছি তখন এ ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি আমাদের পিছিয়ে দেয়। ক্রেতাদের আস্থা হানি ঘটে। শিল্পের ভাবমূর্তি ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়। তাই এমন কোনো কর্মকা- আমরা চাই না যাতে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বাধাগ্রস্ত এবং অর্থনৈতিক কর্মকা- ও ব্যবসা-বাণিজ্য পিছিয়ে দেয়। বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজ বর্তমানে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে আকৃষ্ট হচ্ছেন। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের জন্য এ দেশে সফরে আসছেন। বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বেসরকারি বাণিজ্য প্রতিনিধি দল প্রতিনিয়ত দেশে সফর করছেন। তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি ও আলোচনাও হয়েছে। কয়েকদিন আগেও ভারত থেকে বস্ত্র ব্যবসায়ীদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসেছিলেন। তাদের সঙ্গে আমাদের উভয় পক্ষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা একান্তভাবে আশা করি এমন কোনো কর্মসূচি নেওয়া যাবে না যাতে আমাদের এই অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয়।

"