বইমেলা

লেখক ও প্রকাশকের দায়

প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

সোহেল নওরোজ
ama ami

ফেব্রুয়ারি মাস এলেই অনেক উপলক্ষ সামনে চলে আসে। ‘ভাষার মাস’ হিসেবে ফেব্রুয়ারির আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। এ মাসেই বিশ্বব্যাপী ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন করা হয়। ভাষা, আবেগ আর ভালোবাসার সমান্তরালে এসে দাঁড়ায় বইমেলা। বাঙালির আবেগ আর উচ্ছ্বাসে বাড়তি মাত্রা যোগ করে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। মাসব্যাপী এ বইমেলাকে কেন্দ্র করে আয়োজক, লেখক, প্রকাশক এবং দেশি-বিদেশি পাঠকের নানা কর্মপরিকল্পনা থাকে। মেলা শুরুর আগে থেকেই শুরু হয় কর্মযজ্ঞ। বিভিন্ন মাধ্যমে চোখে পড়ে বিচিত্র ঘরানার বইয়ের প্রচার-প্রচারণা। বইয়ের আবেদন উপেক্ষা করতে না পেরে ব্যস্ততার ফাঁকে ঠিকই সময় বের করে বইপ্রেমীরা ছুটে আসেন বইমেলায়। বন্ধুবান্ধব, পরিবার-পরিজন সঙ্গে থাকলে তো কথাই নেই! না থাকলেও প্রিয় লেখকের পছন্দের বইটি খুঁজে পেতে অসুবিধা হয় না। সব বয়সী পাঠকের সরব উপস্থিতি চোখে পড়ে গ্রন্থমেলায়। ফেব্রুয়ারির অনেক আগে থেকেই বইপ্রেমী মানুষ নতুন বইয়ের ঘ্রাণ নিতে অপেক্ষার দিন গুনে। নিজের বা অন্যের বইয়ের তরতাজা বর্ণ ছুঁয়ে অনুভব করে অন্য রকম শিহরণ। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধÑ সবাই ঝকঝকে বর্ণিল বইয়ের গন্ধে বিভোর হয়ে বিমলানন্দে ঘুরে বেড়ায় মেলা প্রান্তরে। মাতৃভাষায় লেখা বই নেড়েচেড়ে দেখে, পৃষ্ঠা উল্টায়। পছন্দ হয়ে গেলে কিনে এনে ঋদ্ধ করে সংগ্রহশালা। এমন পাঠককেও দেখা যায়, যিনি হুইলচেয়ারে করে স্টলে স্টলে ঘুরে বই কিনছেন। অন্ধ ব্যক্তিও জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হতে অন্য কারো সাহায্যে বইমেলায় আসেন। নতুন বইয়ের গন্ধ শুঁকে, নেড়েচেড়ে দেখেন। হয়তো নিজের জন্য ব্রেইল-শিক্ষার বইও কিনে নিয়ে যান। এ মাস তাই সাধারণ কোনো মাস নয়। আমাদের কাছে ফেব্রুয়ারি ভাষার মাস, উৎসবের মাস, আত্মশুদ্ধির মাস।

একসময় বইমেলা বলতে কেবল বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণের ছবি ভেসে উঠত। সময়ের সঙ্গে বইমেলার ব্যাপ্তি বাংলা একাডেমি ছাড়িয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিশাল ময়দান দখল করেছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। প্রায় প্রতি বছর বাড়ছে নতুন প্রকাশনীর সংখ্যা, লেখকের সংখ্যা, প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা। এ থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার যে, প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের মধ্যেও তরুণ প্রজন্ম কাগজের বইয়ের প্রতি আগ্রহ ধরে রেখেছে। তারা বই কিনছে, পড়ছে, অন্যকে উপহার দিচ্ছে। লেখালেখিতেও তরুণদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ আগের চেয়ে বেড়েছে। একটা নীরব প্রতিযোগিতা চলছে উঠতি লেখকদের মধ্যে, যা অবশ্যই প্রশংসনীয়। বইয়ের প্রতি এই যে দরদ, নতুন বইয়ের জন্য অধীর হয়ে দিন গোনাÑ হাজার অন্ধকারের মধ্যেও তা যেন আমাদের হৃদয়ের কোণে আলো জ্বালার মতো কাজ করে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের নানা শাখায় বিচরণের এমন মোক্ষম সুযোগ কেবল বইমেলার কারণেই পাওয়া যায়। এই একটা মাসের জন্য বছরজুড়ে লেখকেরা লিখতে থাকে, প্রকাশকরা পরিকল্পনা সাজায়, পাঠক পছন্দের বইয়ের তালিকা বানায়। সবকিছুর কেন্দ্রে যে বই, সেটিকে আরো গ্রহণযোগ্য, পাঠের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম এবং প্রয়োজনীয় সম্পদ হিসেবে পাঠকের হাতে তুলে দেওয়ার আগে মানের দিকে নজর দিতে হবে। সমৃদ্ধ লেখা, নির্ভুলতা, যথাযথ সম্পাদনার পর যেন বইটি প্রকাশিত হয়, সেটি নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। লেখক ও প্রকাশককে নিজেদের কাছে, পাঠকের কাছে সৎ থাকা আবশ্যক। প্রকাশিত বইয়ের মান নিশ্চিত করতে না পারলে বইমেলার মূল উদ্দেশ্যটাই ব্যাহত হবে। আমরা নিশ্চয় তা চাইব না।

বই প্রকাশের প্রক্রিয়া বেশ দীর্ঘ। মানসম্মত পা-ুলিপি প্রস্তুতের জন্য লেখকের যেমন সময়ের প্রয়োজন হয়, তেমনি ভালো মানের বই প্রকাশের জন্য প্রকাশনীরও সময়ের দরকার পড়ে। অথচ আমাদের দেশে বই প্রকাশের বিষয়টা অনেকাংশে মৌসুমনির্ভর হয়ে পড়েছে। বইমেলার সময় ঘনিয়ে এলেই শুরু হয় তোড়জোড়। অনেক প্রকাশনীর কাছে এটা রীতিমতো ‘মৌসুমী ব্যবসা’! সারা বছর নিষ্ক্রিয় থেকে বইমেলা এলেই তারা উঠেপড়ে লাগেন। এতে যেনতেনভাবে বই প্রকাশিত হচ্ছে বটে, কিন্তু লেখক-প্রকাশক কেউই পাঠকের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। বর্তমানে কিছু লেখক নিজের অর্থায়নে পছন্দের প্রকাশনীর মাধ্যমে বাজারে নতুন বই আনার জন্য যেভাবে প্রতিযোগিতায় নামেন, তাতে ব্যবসার আবহ চলে আসে। আর শিল্প-সাহিত্যের কেন্দ্রে ব্যবসা থাকলে তাতে মান বিনষ্ট হবে, এটাই বাস্তব। এর ভিন্ন চিত্রও যে দেখা যায় না, তা নয়। টাকার অভাবে অনেক নতুন লেখকের ভালো লেখা প্রকাশ পায় না। তারা উপেক্ষিতই থেকে যান। আবার ভালো বই প্রকাশিত হলেও হাজারটা বইয়ের নিচে চাপা পড়ে যায়। পাঠকের কাছে যেভাবে পৌঁছানোর কথা, তা হয় না প্রচারণা বা বিপণন ব্যবস্থার দুর্বলতায়। কারণ প্রচারণার কাজটা নতুন লেখকদের নিজেদেরই করতে হয়। প্রকাশকরা প্রতিষ্ঠিত ও জনপ্রিয় লেখকের বই নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন।

লেখালেখির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ পাঠককে বইমুখী করা। তাদের মনে আগ্রহ তৈরি করে, তা ধরে রাখা। পাঠকের হাতে এখন অনেক বিকল্প। বিনোদনের বা অবসর সময় কাটানোর অসংখ্য মাধ্যম। আমার-আপনার লেখা পরোক্ষভাবে ওই মাধ্যমগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে। তাই এমন লেখা হওয়া বাঞ্ছনীয় যেন পাঠকের আগ্রহ বই থেকে সরে না যায়। একটা ভালো নাটক, ভালো গান কিংবা ভালো সিনেমা দেখে যে আনন্দটা পায়, একটা বই যেন তা দিতে পারে, সেটা মাথায় রাখা জরুরি। একটা ভালো বই পাঠকের মনোজগতটাই পাল্টে দিতে পারে। তার ভাবনা, জীবনযাপন, চাওয়া-পাওয়া, পছন্দ-অপছন্দকে পড়তে পারলে কাজটা সহজ হয়ে যায়। সময় ও জীবনকে যেন পাঠক বইয়ের মধ্যে খুঁজে পায়, এ চেষ্টাটাই করেছি। লেখালেখি কোনো সহজ বা আটপৌরে বিষয় নয়। খেয়ালি মনে কিছু একটা লিখে ফেলা হয়তো যায়, কিন্তু তার স্থায়িত্ব এবং গ্রহণযোগ্যতা থাকে না। এটা অনেকটা ধ্যানের মতো। বন্ধুর মতো। শত্রুর মতো। গল্পের সঙ্গে সখ্য গড়তে পরিশ্রম করতে হয়। কন্টেন্ট এবং চরিত্রগুলোর প্রতি নির্মোহ থাকতে হয়। আত্মবিশ্বাস, সততা আর দায়বদ্ধতা নিয়ে এগোতে হয়।

পাঠকের হাতে কেবল নতুন বই তুলে দেওয়ার মাধ্যমেই যাবতীয় দায় থেকে মুক্তি ঘটছেÑ লেখক ও প্রকাশকের এমন ভাবনা অবান্তর। যে পাঠক কষ্টে জমানো টাকা দিয়ে কিনে মূল্যবান সময় ব্যয় করে আপনার বই পড়বে, তার এ আগ্রহ ও নিবেদনের প্রতি কতটা সুবিচার করা হচ্ছেÑ সবার আগে সেটি মাথায় রাখতে হবে। তাই ‘বই লিখছি’, এর চেয়ে ‘কী বই লিখছি’ এটা নিয়ে বিস্তর ভাবনার অবকাশ আছে। একজন লেখককে কতটা প্রস্তুত হতে হবে বই প্রকাশের জন্য, তা কেউ বলে দেবে না। এজন্যই লেখককে ভালো পাঠক হতে হবে। অনেক বই পড়া না থাকলে ভালো আর মন্দের মধ্যে প্রভেদ করা সহজ হবে না। লেখককে হতে হবে আত্মসমালোচক। নির্মোহ থেকে নিজের লেখা যাচাই-বাছাই করতে হবে। এখন বইমেলায় গড়ে চার হাজার নতুন বই বের হয়। এর কতগুলো মানসম্মত, তা কেউ যাচাই করে না। এখানেই লেখকের বিচক্ষণতা ও সততার বিষয়টি সামনে চলে আসে। একজন লেখকের মাথায় রাখা প্রয়োজন যে, দিন শেষে নিজের বইয়ের দায় অন্য কেউ নেবে না, সেটা নিজের ওপরই বর্তাবে। আমি মনে করি, বইয়ের মধ্যে একটা ভুল বানান বা একটা ভুল বাক্যের জন্যও লেখকের দায় সবচেয়ে বেশি। হ্যাঁ, লেখক হয়তো প্রকাশকের দুর্বলতা খুঁজে নিজে পার পেতে চাইবেন। ভালো প্রুফ রিডার বা সম্পাদকের অভাবের কথা বলবেন। কিন্তু যে ব্যক্তিটি আপনার বইয়ের প্রুফ দেখবে বা সম্পাদনা করবে তার যোগ্যতা নিশ্চয়ই আপনার চেয়ে বেশি নয়। আপনিই যদি নিজের ভুলগুলো শনাক্ত করতে ব্যর্থ হন, তবে তার ব্যর্থতাকে বড় করে দেখিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথ খোঁজা আপনার দুর্বলতাকেই সামনে নিয়ে আসে।

লেখকের মতো প্রকাশককে পেশাদার হতে হবে। অনুরোধের ঢেঁকি গিলে কিংবা ভালো অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বই ছেপে দেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমি কি প্রকাশ করছিÑ এটা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখতে হবে। ‘আমি কতটা বই প্রকাশ করছি’Ñ এর মধ্যে আত্মতৃপ্তি খোঁজার সুযোগ নেই। সংখ্যার বিচারে নয়, মানের বিষয়ে প্রকাশনী কতটা সচেতন তার ওপরই আপনার যোগ্যতা ও দক্ষতা নিরূপিত হবে। মানসম্মত ছাপা, ভালো কাগজ, শক্ত বাঁধাইÑ এসব একটা ভালো প্রডাকশনের জন্য জরুরি বটে; তবে নির্ভুলভাবে ভালো মানের বই প্রকাশটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একটা ভালো বই আপনার প্রকাশনাকে আজীবন টিকিয়ে রাখতে পারে। বেশি লেখকের অনেক বই প্রকাশের চেয়ে ভালো লেখকের অল্প বই প্রকাশই প্রকাশনীর মানদন্ড হওয়া উচিত। এখনকার তরুণ লেখকদের বেশির ভাগই বইমেলাকে টার্গেট করে বই প্রকাশ করে থাকেন। অল্প কিছু কপি বাজারে এনে প্রকাশক তার মন রক্ষা করেন মাত্র। এ বইগুলো শেষ হয়ে গেলে পুনর্মুদ্রণ করা হয় না। কেউ খোঁজও করে না বিধায় প্রকাশক নিজেও উদ্যোগী হন না। তাই মৌসুমভিত্তিক না হয়ে সময় নিয়ে ভালো বই করাই প্রতিটি প্রকাশনীর লক্ষ্য হওয়া সমীচীন।

বই জ্ঞানের সবচেয়ে স্বীকৃত ও প্রচলিত মাধ্যম। ভালো বই পাঠকের মনে আলোকোজ্জ্বল একটি দরজা খুলে দেয়। জনপ্রিয় লেখকদের পাশাপাশি উদীয়মান এবং নতুন প্রজন্মের লেখকদের পাঠক তৈরিতে বইমেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বই কিনতে যেমন মানুষের ভিড় থাকে; তেমনি মেলা দেখতে, প্রিয় লেখকদের সঙ্গে ছবি তুলতে, কথা বলতেও অনেকেই চলে আসেন বইমেলায়। আমাদের দেশে বইয়ের একটা বড় অংশ বইমেলাকে উপলক্ষ করে প্রকাশ পায়। সেখানে বর্ষীয়ান এবং জনপ্রিয় লেখকদের বই যেমন বের হয়; তেমনি নতুন লেখকদের বইও প্রচুর পরিমাণে প্রকাশিত হয়। লেখক-প্রকাশকরা ফেসবুক আর ব্লগে তাদের প্রকাশিত বইয়ের প্রচারণা চালায়। লেখকদের শুভাকাক্সক্ষীরাও পিছিয়ে থাকে না। ট্যাগ-শেয়ারের প্রতিযোগিতা চলে অনলাইনে। কয়েক বছর ধরেই প্রায় সবকটি টেলিভিশন চ্যানেল বইমেলাকে নিয়ে লাইভ অনুষ্ঠান করছে, যা সাহিত্যানুরাগীদের আগ্রহে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। তরুণরা সাধারণত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে বইয়ের প্রচারণার জন্য বেছে নেন। এমনও দেখা যায়, ফেসবুকের জনপ্রিয়তার প্রভাব প্রকাশিত বইয়ের ওপরও পড়ে। যার লাইকার-ফলোয়ার যত বেশি, তার বইয়ের কাটতি তত বেশি হবে বলে ধরে নেওয়া হয়। ফলে ফেসবুকে মোটামুটি জনপ্রিয় লেখকদের নির্দিষ্ট একটা পাঠকগোষ্ঠী তৈরি হয়ে যায়। তারা বই কিনবে ধরে পূর্বপ্রস্তুতি না থাকলেও বই প্রকাশের অভিপ্রায় কাজ করে। মানের বিষয়টি পেছনে পড়ে যায়। বই প্রকাশ ও বিক্রির সঙ্গে পাঠকের ভালো লাগা এবং মানসিক বিকাশের বিষয়টিও

সামনে আসা জরুরি।

অনেকের মতে, বাংলা সাহিত্য তার স্বর্ণযুগ ফেলে এসেছে। এর কারণ হিসেবে তারা বলেন, এখনকার লেখকরা বেশি দিন স্থায়ী হন না। জোয়ারে গা ভাসানোর মতো কয়েকটা বই প্রকাশ করেই তারা হারিয়ে যান। কেউ তাদের বই আর খোঁজ করেন না। বাধ্য হয়ে পাঠক আবার সেই রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎচন্দ্রে ফিরে যান। এ কথা পুরোপুরি মিথ্যে নয়। যতটুকু প্রস্তুত হয়ে বই লেখা উচিত, লেখার সময় যতটা নিবেদন থাকা দরকার, তা অনেকের মধ্যেই অনুপস্থিত। তাই বলে ভালো লেখা হচ্ছে না, এমনটা ভাবার অবকাশ নেই। হ্যাঁ, সেই সংখ্যা হয়তো কম। তবে চার হাজার বইয়ের মধ্যে ৪০টা বই ঠিকই মানসম্মত। পাঠককে কেবল সেলফি আর অটোগ্রাফের জন্য উতলা না হয়ে ভালো বই খুঁজে বের করার দায়িত্ব নিতে হবে। ভালো লেখা ও লেখককে গ্রহণ করে উৎসাহিত করতে হবে। লেখক-পাঠক-প্রকাশক সর্বোপরি সবার সমন্বয় ও সদিচ্ছা ছাড়া বইমেলাকে সার্থক ও অর্থবহ করা সম্ভব নয়।

 

"