সময়ের শাণিত স্মারক

আহমদ বশীরের কথাসাহিত্য

প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০

মনসুর হেলাল

জীবন কখনো কখনো গল্পের চেয়ে বিস্ময়কর, তবে গল্পকে সব সময়ই জীবনের মধ্যে বিশ্বাস্য হতে হয়। তার যেটুকু বিস্ময়কর তা মূলত বিশ্বাসের কৌশল। প্রবহমান সময়ের বস্তুগত চেহারা, কথাশিল্পে যতটা আলোকিত তত অন্য কোথাও নয়। ‘বাংলাদেশের কথাসাহিত্য : বিষয়-আশয়’ প্রসঙ্গে স্বীয় অভিজ্ঞানে এমনই অকাট্য বিশ্লেষণ আবু হেনা মোস্তফা কামালের। তার কথার অবশেষ ধরেই স্বীকার করতে হবে, ঊনিশ শতক থেকে বাংলা কথাসাহিত্য সমকালীন উদ্ভিন্নমান মধ্যবিত্তের জীবনের ভুল-ভ্রান্তি, ত্রুটি-বিচ্যুতি এবং নৈতিক সংকট এসবই উপজীব্য হয়েছে, বিশেষ করে উপন্যাসে তার মাত্রা ছিল কালবিশেষে সমধিক। তবে আর্থসামাজিক পালাবদল ও নানা ঘাত-প্রতিঘাতে সমাজের অবয়ব যেমন রূপান্তরিত হয়েছে, তেমনি বাংলা উপন্যাসের শরীরেও সেই রূপান্তরের ছায়া প্রতিফলিত হয়েছে। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের সাহিত্যে উপন্যাস একটি অগ্রগণ্য শিল্পমাধ্যম হিসেবে স্বমহিমায় প্রোজ্জ্বল। বিশেষ করে ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অনায়াসে ঢুকে পড়ে এ সময়ের উপন্যাসে। রাজনৈতিক আন্দোলনের ঘটনাক্রমও নতুনভাবে আবির্ভূত হয়। তবে এ আবির্ভাবে শুধু উপন্যাসই নয়, গল্পের শরীরও হয়েছেও ফলবান। বলতে গেলে, মুক্তিযুদ্ধোত্তর সাহিত্যবিচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কথাসাহিত্য আলোকিত সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। আর সময়বিচারে যে কজন সৃষ্টিশীল লেখক সেই সম্ভাবনাকে করেছেন গতিশীল ও প্রাণবন্ত তাদেরই একজন কথাসাহিত্যিক আহমদ বশীর। পুরান ঢাকার আদি ও অকৃত্রিম এই সন্তান যুগ বিশেষে প্রত্যক্ষ করেছেন বাঙালির উত্থান পর্বের নানা উপলক্ষ। প্রত্যক্ষ করেছেন যুদ্ধ পরবর্তী নানা অন্তর্দ্বন্দ্ব ও রক্তাক্ত সমাজমানসকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর শিক্ষায় শিক্ষিত এই লেখক ছিলেন জটিল রাজনীতির ধারার একজনসহযাত্রীও। ফলে তার লেখায় আমরা দেখতে পাই সেই সমাজ বাস্তবতার সন্দিগ্ধ প্রতিফলন। তার গদ্যের শরীর মসৃণ নয়, তবে স্বচ্ছ।

একই সময় পুরান ঢাকায় আবাস গড়েছিলেন আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। তার গদ্যে সেখানকার যে মেদহীন আবেগকে আমরা দেখি, আহমদ বশীরের গদ্যের গহনেও তার একটি আনুভূতিক ক্ষরণ আমরা দেখতে পাই, বিশেষ করে ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত তার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘অন্য পটভূমি’। এ ধারার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। তার এই গ্রন্থটি ১৯৮২ সালে হুমায়ুন কবীর সাহিত্য পুরস্কার লাভ করে। পঁয়ত্রিশ বছর পর এ বছর অর্থাৎ ২০১৮-এর একুশে গ্রন্থমেলায় বইটির পুনর্মুদ্রণ হয় বর্ণ প্রকাশ থেকে। প্রথম সংস্করণে বইটির শেষ প্রচ্ছদে লেখা ছিলÑ ‘এখন এক অস্থির সময়গ্রন্থিকে অনুুভব করা যায়। ক্রমাগত দিনরাত্রির মায়াজাল থেকে মানুষের দিকে ছিন্নভিন্ন চলচিত্র... ভাঙা সানকি... ব্যস্ত রাস্তার মিছিল... শিক্ষার যৌবন... পাথর আলীর শুয়ে থাকা... ইয়াসিনের চিৎকার... আবদুল হকের মৃত্যু... দাঙ্গা... খুন... ছিনতাই... আমাদের রাজনীতিহীনতার রাজনীতি...।

তবু আমরা সবই জানি, গল্পের সবটাই আর গল্প থাকে না। শুধু বিষণœ চোখ, শুধু ঘামের গন্ধ, রক্তপাত, সারিবদ্ধ নিওন সাইন, সংলাপ...।’

বৈরী সময়ের তুমুল দৃশ্যপট ‘অন্য পটভূমি’। আলোচিত এই গল্পগ্রন্থের পর লেখকের আরো দুটি ছোটগল্প সংকলন প্রকাশিত হয়েছে। এবং বাংলা একাডেমির ‘উত্তরাধিকার’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে একটি উপন্যাস। কিন্তু সময়ের আলোচিত এই লেখক কোনো এক অজ্ঞাত কারণে সাহিত্যজগত থেকে স্বেচ্ছায় দূর সরে যান। এটাকি কোনো অভিমান হেতু, নাকি স্বেচ্ছা নির্বাসন? এই বিচারের গুরুভার আপাতত সময়ের হাতেই ন্যাস্ত থাকুক। সেই থেকে প্রায় তিনদশক আমরা তাকে আর পাইনি। তবে আনন্দের বিষয়, সেই মৌনতা ভেঙে কথাসাহিত্যিক আহমদ বশীর আবারও লেখার জগতে ফিরে এসেছেন। লিখেছেন বেশ কয়েকটি উপন্যাস। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয় তার ‘অবাস্তব বাস্তব’ উপন্যাসটি। আশির দশকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তার এই উপন্যাসের উপজীব্য। এই উপন্যাস সম্পর্কে লেখক নিজেই বলেছেন, ‘সম্পূর্ণ অবাস্তব, একেবারেই কল্পনা প্রসূত, এবং সর্বৈব মিথ্যা, এরকম একটি কাহিনির মধ্যে হাই-পাওয়ারের চশমা নিয়ে কিছু সত্যকে খুঁজতে যাওয়া বৃথা। তবু কেন যে একজন ইকোনমি ক্লাসের লেখক এসব লিখতে যায়!

কোনো এক মহিলার স্বামী, রাজনীতি করত, এখন করে না, বেমালুম গুম হয়ে গেলে কি কিছু একটা লিখতে হবে?

আর লিখলেই সেটা গল্প হবে?

সম্পূর্ণ অবাস্তব, অলীক এই কাহিনি জানি কোনো পাঠককে দংশন করতে পারে না।’

তবে, অবাস্তব বাস্তবের ভেতরে যে মানবিক সংশয়, রাজনীতির যে প্রবল চাতুর্য আহমদ বশীর তুলে এনেছেন তা যে কোনো দংশনের চেয়েও নির্মম। সাদা চোখে তার অবয়ব যতটা দৃশ্যমান, তার চেয়েও কঠোর এক অদৃশ্য বাস্তবতা অবাস্তরের অন্তর্লোকে প্রোথিত।

২০১৭ সালে প্রকাশিত হয় তার ‘তিথিডোর : মুক্তিযুদ্ধের একটা উপন্যাস হতে পারতো’র মতো একটি অসামান্য উপন্যাস। যেখানে ওঠে এসেছে বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার বিস্তৃত প্রেক্ষাপট। শুধু তা-ই নয়, মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ের একটি মর্মস্পর্শী সত্য উন্মোচিত হয়েছে এ উপন্যাসে। বলতে গেলে, যে অব্যর্থ চেতনায় রচিত হয়েছে শওকত আলীর উপন্যাস ‘যাত্রা’, সৈয়দ শামসুল হকের ‘দ্বিতীয় দিনের কাহিনী’, সেলিনা হোসেনের ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’, হুমায়ূন আহমেদের ‘জোছনা ও জননীর গল্প’। শহীদুল জহিরের ‘জীবন ও বাস্তবতা’। রিজিয়া রহমানের ‘রক্তের অক্ষর’। শাহীন আখতারের ‘তালাস’। কথাসাহিত্যিক আহমদ বশীরও সেই অনুক্রম রক্ষা করেছেন তার এই উপন্যাসে। বিশেষ করে স্বাধীন সার্বভৌম স্বদেশের যে স্বপ্ন নিয়ে বাঙালি যুগের পরে যুগ অকাতরে আত্মত্যাগ করেছে। বিলিয়ে দিয়েছে সর্বস্ব। তা তো কালের কালিমায় কখনো লুপ্ত হতে পারে না। বরং শত বাধা-বিপত্তিকে অতিক্রম করে সেই ত্যাগে বারবার উদ্দীপ্ত হয়েছে বাঙালির মৌল চেতনা। একাত্তরে সাড়ে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাঙালি যে স্বাধীনতা অর্জন করে, দেশে-বিদেশে তা নিয়েও চক্রান্ত কম হয়নি। বিজয়ের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে জাতি হারায় তার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে। ঘাতকদের হাতে সপরিবারে নিহত হন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই পটপরিবর্তনের পর মাথাচারা দিয়ে ওঠে একাত্তরের পরাজিত ঘাতক চক্র। এই নিগূঢ় বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে যে সংকট ও টানাপড়েন সৃষ্টি হয় ব্যক্তিগত ও সামাজিক স্তরেÑ ‘তিথিডোর : মুক্তিযুদ্ধের একটা উপন্যাস হতে পারতো’ যেন সেই দুর্নিরীক্ষ্য সময়ের একটি অসাধারণ প্রতিচিত্র। কোনো এক মহাশক্তির কল্যাণে লিখেছেন এই উপন্যাস, বিশেষ করে অদৃশ্য এক সুতোর মিলনে এই উপন্যাসের চরিত্রগুলো যখন পুতুল নাচের উপজীব্য, তখন শহর ঢাকার এক কোণে একজন সদ্য-তরুণ কলেজের ছাত্র দুচোখ মেলে দেখছিল ভাঙনের আশীর্বাদ... এত দিন পরে তাকে দিতে হবে করুণ স্বীকারোক্তি... বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে তখন ইতিহাসের পৃষ্ঠা ওলটাবার পালা। ‘জয় বাংলা’ সেøাগানের জন্য বিস্ফোরণের শব্দ হাতে তুলে নিচ্ছে কেউ, শহর থেকে পালিয়ে গিয়ে শরণার্থী শিবিরে তৈরি হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা, কেউবা ঘাতক পাকিস্তানি পাপচক্রকে মেনে নিচ্ছে অন্তর্ঘাতী স্বদেশবোধ থেকে, কেউ নরঘাতক রাও ফরমান আলীর হাতে তুলে দিচ্ছে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের তালিকা। সত্তরের নির্বাচন শেষে ঢাকা শহরের নয়াবাজারের মোড়ে পড়ে আছে আওয়ামী লীগের নৌকার বিজয় তোরণ। আর তার পাশে বংশালের হোটেল সাইনু পালোয়ানের সাইনবোর্ড, তার পাশে পুরনো এক বাড়ি, নাম তার তিথিডোর। সেই বাড়ির মেয়েটা, ঘোড়ার গাড়িতে করে যাকে যেতে হতো কামরুন্নেসা স্কুলে, তারও তো মুক্তিযুদ্ধ আছে! আছে বুক ভরা অভিমান। কেন তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে হলো বুড়িগঙ্গা নদীর ধারে? সেই নিরিখে ‘তিথিডোর : মুক্তিযুদ্ধের একটা উপন্যাস হতে পারতো’ বাংলা কথাসাহিত্যে এক ব্যাপক মহিমা নিয়ে হাজির হয়। বিশেষ করে নারীদের দ্রোহচেতনা ও স্বাধিকারের বিষয়টি এ উপন্যাসে প্রাধান্য পায়। এ ছাড়া ইতিহাসের নির্মম এবং নির্মোহ চাবুক কয়েকজন মানুষের জীবনকে কীভাবে ক্ষতবিক্ষত করতে পারে তারই একটি খ-চিত্র এঁকেছেন কথাসাহিত্যিক আহমদ বশীর।

এই উপন্যাসের মূল্যায়ন প্রসঙ্গে অবশ্যই এ কথা স্বীকার করতে হবেÑ স্বাধীনোত্তর বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে ‘তিথিডোর : মুক্তিযুদ্ধের একটা উপন্যাস হতে পারতো’ নিঃসন্দেহে এক অনবদ্য সৃষ্টি। যা স্বকালের চিত্রকে ধারণ করেছে। স্বজাত্য বোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে দিয়েছে অপ্রতিরোধ্য গতি।

২০১৮-এর ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয় তার আরেকটি উপন্যাস ‘স্বাধীনতার পরের এক পরাধীনতা’। উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক জটিল সমীকরণ এই উপন্যাস। এখানে ‘জটিল’ এই অর্থে বলা, স্বাধীনতার পরে আবার পরাধীনতা কী? বিষয়টি নিয়ে লেখকের বিশ্লেষণ ‘কেমন করে যেন স্বাধীনতার পরে আবার কেউ কেউ পরাধীন হয়ে যায়। সেই পরাধীনতার পালায় অনেক মানুষের রক্ত-ঘাম-ক্রোধ-প্রেম-বিরহ-হত্যা-আত্মহত্যা কতকিছু মিলেমিশে একাকার হয়ে থাকে। তাই নিয়ে অনেক গল্পও লেখা যায়। আর যেসব দেশে অনেক ধর্ম, অনেক ভাষা, জাতীয়তা সে সব দেশে কোনো গোষ্ঠীর স্বাধীনতা হ’লে, অন্য কোনো গোষ্ঠীর জীবনে আবার পরাধীনতা চলে আসে...। ভারতবর্ষ এমনই এক উপমহাদেশ যেখানে একশ রকমের জাতি, ধর্ম আর ভাষা।’

‘স্বাধীনতার পরের এক পরাধীনতা’র প্রেক্ষাপট প্রসঙ্গে বলা যায়, ভারতবর্ষের ইতিহাসের যে কোনো সময় পর্ব থেকেই এর গল্প শুরু করা যায়। যেমনÑ ১৯০৫ সালের লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গের সময় থেকে। বা ১৯০৯ সালের মন্টেগো-চেমসফোর্ডের রিফর্ম থেকে, অথবা ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান নামের স্বাধীনতার পরে আবার অনেক ইতিহাস। সেই ক্রম দীর্ঘ থেকে আরো দীর্ঘতর হতে পারে। তবে এখানেই তার সমাপ্তি টানলাম। কারণ, ভারতীয় উপমহাদেশ জুড়ে স্বাধীনতার পর পরাধীনতার অনতিক্রান্ত বৃত্ত অনেক জাতি-গোষ্ঠীকে গ্রাস করেছে। শুধু সাম্রাজ্য নয়, বিলীন হয়েছে নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি। পরাধীনতা সেই ইতিহাস অনেক দীর্ঘ ও দুর্লঙ্গনীয়।

‘একাত্তরের পর : বাংলাদেশের ছোটগল্প’ এটি আহমদ বশীর সম্পাদিত একটি নির্বাচিত ছোটগল্প সংকলন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এটি প্রকাশিত হয়েছে। একাত্তরের স্বাধীনতার পরে বাঙালি জাতিগোষ্ঠীর নানামাত্রিক চিন্তা চেতনা, অভাব-অভিযোগ, ঝড়-ঝঞ্ঝা, বন্যা-মহামারী এবং বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচল বিভিন্ন গল্পকারদের গল্পে ওঠে এসেছে। এসব গল্প বাছাইয়ে যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন সম্পাদক আহমদ বশীর। আর যাদের গল্প এ সংকলনকে সমৃদ্ধ করেছে তাদের মধ্যে বিপ্রদাশ বড়–য়া, হরিপদ দত্ত, ইমদাদুল হক মিলন, মইনুল আহসান সাবের সুকান্ত চট্টোপাধ্যায়, মাকিদ হায়দার, সারোয়ার কবীর, আহমদ বশীর, জাহিদ হায়দার, অদিতি ফাল্গুনী, মনিরা কায়েস, স্বকৃত নোমান উল্লেখযোগ্য।

পরিশেষে, কথাসাহিত্যিক আহমদ বশীরের একটি আত্মপোলব্ধি ‘রাহুচক্রের আহ্বানে আবার যদি কৃষ্ণগহ্বরে হারিয়ে যান এই লেখক কারো কিছু বলার থাকবে না সেই দিন’। তবে মনে রাখতে হবে, হারিয়ে যাওয়া মানেই একটি বিশাল শূন্যতা। যা কখনো পূরণ হয় না, পূরণ হবার নয়। আর সেই অপূরণীয় ক্ষত নিয়েই নির্দেশিত হবে আমাদের পথ। যে পথের বাঁকে বাঁকে রচিত হবে অন্য এক পটভূমি।

"