ভরা বর্ষায়ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে নাব্যতা সংকট

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০১৭, ০০:০০

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে এই ভরা বর্ষা মৌসুমেও নাব্যতা সংকটের কারণে গত কাল শনিবার বিকেল থেকে বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিং শুরু করেছে। আরিচা বিআইডব্লিউটিএর অফিস সূত্রে জানা গেছে, নৌরুটে বড় ফেরি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে ৯ থেকে ১০ ফুট পানির প্রয়োজন। কিন্তু ভরা বর্ষা মৌসুমে উজান থেকে পলি এসে ফেরি চলাচলের চ্যানেল ভরে যাওয়ায় এখন এ নৌরটের চ্যানেলে প্রায় ৯ ফুট পানি রয়েছে। এদিকে, পাটুরিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটের বেসিনে নাব্যতা সংকট দেখা দেওয়ায় ঘাটে ফেরি ভিড়তে সমস্যা হওয়ার কারণে বঙ্গ ড্রেজার দিয়ে ড্রেজিং শুরু করা হয়েছে। এবার পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট সচল রাখতে ১২ লাখ ঘন মিটার পলি অপসারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে আগস্ট মাসের শেষের দিকে বন্যা হওয়ার আশঙ্কায় এখনই এ নৌরুটে পুরোপুরি ড্রেজিং করা হবে না বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী মাশরেকুল আরেফিন। এ নৌরুটে বর্ষা মৌসুমে নদীতে স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল বিঘ্ন, শুষ্ক মৌসুমে নদীতে নাব্যতা সংকটে ফেরি চলাচল ব্যাহত ও শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশায় ফেরি চলাচল বন্ধ এবং ফেরি স্বল্পতা থাকাসহ নানা সমস্যার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে চলাচলকারী দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার হাজার হাজার যাত্রীকে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এদিকে, আগামী ঈদ ও শারদীয় দুর্গা পূজার সময় নদীতে বন্যা হলে ফেরি চলাচলে সময় বেশি লাগবে এবং নদীতে পানি কমতে থাকলে নাব্যতা সংকট দেখা দিলে ফেরি চলাচলে বিঘœ হবে। এ কারণে ওই সময় ঘরমুখো যাত্রীদের ঘাটে এসে যানজটে পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থেকে দুর্ভোগ পোহানোর আশঙ্কা করছেন ঘাট কর্র্তৃপক্ষ।

"