বন্যাদুর্গত রংপুরে নিরাপদ পানি সরবরাহ জনস্বাস্থ্যের

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২০, ০০:০০

রংপুর ব্যুরো

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষীটারী, নোহালী, কোলকোন্দ, আলমবিধিতর, মর্ণেয়া, গজঘন্টা ও সদর ইউনিয়নের কিছু অংশে কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ও টেপামধুপর ইউনিয়নে এবং পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ও তাম্বুলপুর ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী এলাকা ও চরাঞ্চল ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই দুর্দিনে নদীভাঙন ও বন্যাকবলিত এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ করছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর।

পীরগাছার ছাওলা ইউনিয়নের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর থেকে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা চালু করায় আমরা নদী এলাকার মানুষ আনন্দিত। গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের চরাঞ্চলের বাসিন্দারা জানান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর এই দুর্দিনে আমাদের মধ্যে নিরাপদ পানিভর্তি জেরিক্যান বিতরণ করেছে। এই নিরাপদ পানি পেয়ে আমরা এখন পর্যন্ত সুস্থ আছি। স্বাভাবিক জীবনের কাজকর্ম করতে পারছি। সরকার যদি আরো ত্রাণ দেয় তাহলে উপকৃত হবো।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, রংপুরে বন্যাকবলিত এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা চালু রাখার স্বার্থে নলকূপ উঁচুকরণ, নলকূপ মেরামত, নলকূপ জীবাণুমুক্তকরণ, অস্থায়ী নলকূপ ও ল্যাট্রিন স্থাপন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট/পাউডার বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি চরাঞ্চলে পানিভর্তি জেরিক্যান বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর রংপুর নির্বাহী প্রকৌশলী পঙ্কজ কুমার সাহা জানান, রংপুর জেলার তিনটি উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকায় ৬৯টি নলকূপ উঁচুকরণ, ১২টি নলকূপ মেরামত, ১৮টি নলকূপ জীবাণুমুক্তকরণ, ছয়টি অস্থায়ী নলকূপ স্থাপন, ১০টি ল্যাট্রিন স্থাপন, ২২ হাজার ৮৪০টি পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ এবং ৩৯ কেজি ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর, উপজেলা দফতরগুলোর তিনজন উপসহকারী প্রকৌশলীসহ ১৮জন নলকূপ মেকানিক ও ছয়জন অন্যান্য স্টাফ নিয়োজিত রয়েছেন।

 

"