সোনাতলায় পৃথক ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২০, ০০:০০

বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার সোনাতলায় পৃথক ঘটনায় প্রতিপক্ষের অস্ত্রের আঘাতে কলেজছাত্রসহ দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার দুপুরেই পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (শজিমেক) মর্গে পাঠায়। এসব ঘটনায় পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম বাদশার ছেলে সোনাতলা সরকারি নাজির আকতার কলেজের ডিগ্রি ২য় বর্ষের ছাত্র পারভেজ ইসলাম সুমন (২৪) ও একই গ্রামের আলহাজ মোজাহার আলী প্রামাণিকের পুত্র মাসুদ রানা (২২) একসঙ্গে মোবাইল ফোনের সিমকার্ড বিক্রির ব্যবসা করতেন। ওদের মধ্যে সিম বিক্রির টাকা ভাগবাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে শনিবার দুপুর ২টায় হাটকরমজা বাজারে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুজনেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সুমন আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য সিএনজি যোগে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।

অন্যদিকে সোনাতলা সদর ইউনিয়নের চকনন্দন গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে শনিবার সকাল ১০টায় ছাগল লাউগাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় শফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত জয়েন উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে। এ সময় প্রতিপক্ষের মারপিটে নিহত ব্যক্তির স্ত্রী লাভলী বেগম (৩৮), মা শামছুন নাহার বেওয়া (৬২), মেয়ে শান্ত¦না বেগম (২৪), ভাই বুলবুল আহম্মেদ, ভাতিজি মামুনী বেগম (২২) আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গত শুক্রবার ওই গ্রামের মৃত আছমত মোল্লার ছেলে আবদুল খালেক মোল্লার লাউগাছ ছাগলে খেয়ে ফেলে। এতে খালেক মোল্লার লোকজন শফিকুল ইসলামের ছাগল সন্দেহ করে গালাগাল করে। এতে শনিবার সকাল আনুমানিক ১০টার সময় এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে খালেক মোল্লার লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে শফিকুল ইসলাম ও তাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শফিকুল ইসলাম মারা যান। এ ঘটনায় দুজন মহিলাসহ ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

ওসি আবদুল্লাহ আল মাসউদ চৌধুরী জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (শজিমেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

 

"