নবাবগঞ্জে সৌদিফেরত প্রবাসীর দেহে করোনা

১২ পরিবার কোয়ারেন্টাইনে

প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২০, ০০:০০

নবাবগঞ্জ (ঢাকা) ও মেহেরপুর প্রতিনিধি

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সৌদিআরব থেকে আসা ৪৭ বছর বয়সি এক প্রবাসীর শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এজন্য তার পরিবারের সদস্যদেরসহ আশপাশের ১২টি পরিবারকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখেছে উপজেলা প্রশাসন। গত মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবাবগঞ্জ ইউএনও এ এইচ এম সালাউদ্দিন মনজু। তিনি জানান, সন্ধ্যায় আইইডিসিআরের একটি টিম চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। ইউএনও জানান, করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে তার বাড়িসহ আশপাশের আরো ১২টি বাড়ির লোকজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। তারা যেন কোনো অবস্থাতেই বাসা থেকে বের হতে না হন সেজন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু উপজেলা প্রশাসন সরবরাহ করবে।

কয়েক দিন আগে সৌদিআরব থেকে নবাবগঞ্জের বাড়িতে ফিরেন ওই প্রবাসী। এরপর তার মধ্যে করোনা সংক্রমণ উপসর্গ দেখা দিলে তিনিসহ উপজেলার আরো তিনজনের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার রিপোর্টে ওই প্রবাসীর শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়। ওই বাড়িগুলোতে হোম কোয়ারেন্টাইনের ব্যানার ও লাল নিশানা টানিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল।

গাংনীতে কোয়ারেন্টাইনে থাকা রোগীর নমুনা সংগ্রহ : এদিকে মেহেরপুরের গাংনীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা এক রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে। সন্দেহভাজন রুহুল আমিনের (৫৬) উপজেলা গাড়াডোব গ্রামের বাড়ি গতকাল বুধবার দুপুরে লকডাউন ঘোষণা ও পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি বাড়িতে প্রশাসনিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে। মেহেরপুরের সিভিল সার্জন মো. নাসির উদ্দীন এ ঘোষণা করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ওই ব্যক্তিকে গাংনী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম রিয়াজুল আলম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে শ^াসকষ্ট, ঠান্ডা, জ¦র, কাশি নিয়ে একজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তবে তিনি করোনায় আক্রান্ত কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। তাকে হাসপাতালের একটি কেবিনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন হিসেবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

 

"