ধর্ষণের সংখ্যা প্রকাশ করেছে আসক

প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের গত ১১ মাসে ১ হাজার ৩৫১ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে ৯৪০ জন শিশু। এছাড়াও ৪৪৩ শিশু হত্যার শিকার হয়েছে এবং বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৬৮২ শিশু। এসব ঘটনার দ্রুতবিচার না হওয়ায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথকে আটকে দিচ্ছে। যার কারণে অপরাধীদের অপরাধ প্রবণতা আরো বাড়ছে বলে মনে করছেন আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক)। গতকাল মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস ২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব তথ্য তুলে ধরে আসক।

আসক মনে করে, গণমাধ্যমকর্মী ও নাগরিক সমাজের তীব্র বিরোধিতার পরও বহুল সমালোচিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার অনুরূপ ধারা রেখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অনুমোদন করা হয়েছে। যা তথ্য ও যোগাযোগ আইনের ৫৭ ধারার অপব্যবহার বন্ধ হয়নি বরং আরো নতুনভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড, গুম, নির্যাতন, মত প্রকাশ ও মুক্ত চিন্তার ওপর আঘাত, নারী ও শিশু নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষণের মতো জঘন্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। কার্যকর জবাবদিহি, ন্যায়বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা, বিচারের দীর্ঘসূত্রতা প্রভৃতি জনগণের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্র আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে।

মানববন্ধন থেকে মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে আসক আটটি দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড, গুম, হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু, দায়িত্বে অবহেলা ইত্যাদির অভিযোগ উঠলে তা দ্রুততার সঙ্গে নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করে নিষ্পত্তি করতে হবে, নাগরিকদের মত প্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার ও মৌলিক মানবাধিকার যাতে খর্ব না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে, গণমাধ্যম ও নাগরিকদের মত প্রকাশের অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনতে আনা, নারী ও শিশুর ওপর সহিংসতা বন্ধে কার্যকর সচেতনতামূলক ও প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি জোরদার করা, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিজ বিশ্বাস ও রীতি চর্চার অধিকার ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ইত্যাদি।

 

"