কোনো রোহিঙ্গা ভোটার হতে পারেনি পারবে না : এনআইডি ডিজি

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিভিন্ন মাধ্যমে রোহিঙ্গা নাগরিকের ভোটার হওয়া বা এনআইডি পাওয়ার যে তথ্য এসেছে, তা সঠিক নয়। বাংলাদেশে আসা ১১ লাখ ২২ হাজার রোহিঙ্গার আঙুলের ছাপ ও তথ্য নিয়ে রোহিঙ্গা সার্ভার প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন কেউ চাইলেই ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি, হতেও পারবে না। গতকাল সোমবার বিকালে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন এনআইডি ডিজি জেনারেল সাইদুল ইসলাম।

৪৬ জনের ভোটার হওয়ার বিষয়ে তিনি আরো বলেন, ‘এটা অপচেষ্টা। এখনো ভোটার হতে পারেনি। চেষ্টা করছে। কিন্তু সফল হতে পারবে না। ৪৬ জনের কেউ এনআইডি পায়নি। দক্ষতার সঙ্গে কাজটি সম্পন্ন করা হচ্ছে। আমরা স্বচ্ছ ভোটার তালিকার জন্য বদ্ধপরিকর। কোনো রোহিঙ্গা বা বিদেশিকে অন্তর্ভুক্ত হতে দেব না। যে স্ট্যাটাসের হোক, যে সংগঠনের হোক, অপচেষ্টাকারীর বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’

তিনি বলেন, ‘১১ লাখ ২২ হাজার রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক আমাদের কাছে আছে। আমরা রোহিঙ্গা সার্ভার প্রস্তুত করেছি। এখন যাদের তথ্য নেওয়া হচ্ছে, তাদের আঙুলের ছাপ ও তথ্য প্রথমেই রোহিঙ্গা সার্ভারে ম্যাচ করে দেখা হচ্ছে। কারো তথ্য এ সার্ভারে ম্যাচ করলে মূল সার্ভারে আর যাওয়াই হবে না। এ ছাড়া খসড়া প্রকাশের আগে আমরা ম্যাচিং করব। কাজেই তারা ভোটার হতে পারবে না।’

তিনি বলেন, লাকী বেগম নামের এক স্মার্টকার্ড আনতে গেলে, মূল সার্ভার থেকে ধরা পড়ে তার এনআইডি সঠিক নয়। জিজ্ঞাসাবাদে চিহ্নিত হয়েছে তাকে বৈধ এনআইডি দেওয়া হয়নি। তাই তাকে পুলিশে দিয়েছি।

ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘চট্টগ্রামের ডবলমুরিং উপজেলা নির্বাচন অফিসের এক পিয়ন জয়নাল আবেদিন; রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অপচেষ্টায় জড়িত ছিল প্রাথমিক তদন্তে এসেছে। তার বিরুদ্ধে আমরা ফৌজদারি মামলা এবং বিভাগীয় মামলার ব্যবস্থা নিচ্ছি। অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, সেটাও আমরা দেখছি। ভোটার করতে পারেনি, আইডি দিতে পারেনি, তবে চেষ্টা করেছে; সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনোমতে যাতে আইডি কার্ড না পায়, সেজন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

সংবাদ সম্মেলনে এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) আবদুল বাতেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

"