সেমিনারে বক্তারা

সুন্দরবনের চরে পুকুর খনন করা হবে

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

খুলনা ব্যুরো

‘জলবায়ু পরিবর্তনে সক্ষমতা অর্জনে উপকূলীয় অঞ্চলের সমুদ্রগামী জেলে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনার গতকাল শনিবার খুলনার একটি হোটেলে হয়েছে। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার। তিনি সুন্দরবনে প্রতিটি চরে একটি করে পুকুর খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান।

সেমিনারে কিছু সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে বিমাসহ জেলেদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন এবং বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ব্যবহার করে জেলেদের মধ্যে আগাম পূর্বাভাস দেওয়া উল্লেখযোগ্য।

সেমিনারে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেন, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর মান্ধাতা আমলের ইটভাটা বন্ধ করে দেওয়া হবে। সুন্দরবনের খালে যারা বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুন্দরবনসহ উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা বাড়ানোর সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অ্যান অর্গানাইজেশন ফর সোসিও ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (অ্যাওসেড) আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মো. আক্তারুজ্জামান এমপি, পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক সাইফুল রহমান খান, মৎস্য অধিদফতরের উপপরিচালক রণজিৎ কুমার পাল এবং খুলনা বন বিভাগের উপ-বন সংরক্ষক মো. কবির হোসেন পাটোয়ারী।

সেমিনারে আলোচক ছিলেন সুন্দরবন একাডেমির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির এবং সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক সরোজ কুমার মিস্ত্রি। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অ্যাওসেডের নির্বাহী পরিচালক শামীম আরফীন। সেমিনারে সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, মৎস্যচাষি, মৎস্যজীবী ও মৎস্য জেলেরা অংশ নেন।

 

"