ঝালকাঠিতে আমু

জিয়াই নির্বাচনী প্রক্রিয়া ধ্বংস করেছিলেন

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

জিয়াউর রহমানই প্রথম গণতন্ত্র ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া হত্যা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, যারা আজকে বড় বড় কথা বলে এই দেশের গণতন্ত্র হত্যা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া তারাই ধ্বংস করেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘এক হোন্ডা, দুই গুন্ডা, এক স্টেনগান’ দিয়ে জিয়াউর রহমান প্রথমে হ্যাঁ-না ভোট, রাষ্ট্রপতি ভোট, পরে সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করেন। এরই মাধ্যমে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক ধারা ও মানুষের ভোটের অধিকার ধ্বংস হয়।

গতকাল শনিবার বিকালে ঝালকাঠিতে বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের রোনালসে সড়কে জেলা আওয়ামী লীগ এ সভার আয়োজন করে।

সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে পাকিস্তান সৃষ্টি হয়েছিল, বাংলাদেশ নয় মন্তব্য করে আমু বলেন, চারটি মূল নীতির ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের সংবিধান রচিত। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে সংবিধান থেকে চার মূলনীতি ছুড়ে ফেলা হলো। বাংলাদেশের সংবিধানে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কোনো কথা ছিল না। কারণ আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে সাম্প্রদায়িকতা মানবতার শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু। সাম্প্রদায়িকতা উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করে।

জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুর রশিদ হাওলাদার, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তরুণ কর্মকার, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন, যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম জাকির, কামাল শরীফ, হাফিজ আল মাহমুদ ও সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলন।

 

"