কুয়াকাটা সৈকতে উৎসবের আমেজ

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

ফরাজী মো.ইমরান, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)

বৈরী আবহাওয়ায় ঈদের তৃতীয় দিনের কুয়াকাটায় বাড়তে শুরু করেছে পর্যটকদের সংখ্যা। কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর করতে পাঁচ দিনের ছুটিতে কুয়াকাটার বেলাভূমে এখন পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়। এদিকে এসব পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ, সাদা পোশাকের পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য।

কুয়াকাটায় পর্যটকদের আনাগোনার মধ্যে আছে ঐতিহ্যবাহী কুয়া, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার, আড়াই শতবর্ষী নৌকা, ইলিশ পার্ক, কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান, ঝাউ বন, লেম্বুর চর, চর গঙ্গামতি, লাল কাঁকড়ার দ্বীপ, ফাতরার বন, এশিয়ার সর্ববৃহৎ সীমা বৌদ্ধ বিহার ও রাখাইন পল্লীসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে।

সৈকত এলাকায় দেখা যায়, সৈকতে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। প্রিয়জনদের সঙ্গে সৈকতে পর্যটকের অবিরাম ছুটোছুটি, বালিয়াড়িতে পাতা বেঞ্চে বসে ঢেউয়ের গর্জন শোনা ও গা ভাসিয়ে সমুদ্রে গোসল দেখলে মনে হয় এ যেন সমুদ্রের সঙ্গে পর্যটকদের গভীর এক মিতালি। বর্ষায় পর্যটকদের ভিড়ে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ফিরে পেয়েছে প্রাণচাঞ্চল্য।

নরসিংদী থেকে ঘুরতে আসা সেলিম-রেহানা দম্পতি জানান, কুয়াকাটা আসলেই একটি দেখার মতো স্থান। তবে তুলনামূলক হোটেল ভাড়া একটু বেশি। নারায়ণগঞ্জ থেকে সপরিবারের ঘুরতে আসা রবিউল ইসলাম জানান, বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে আমরা কুয়াকাটায় এসেছি। কুয়াকাটার পরিবেশটা খুবই ভালো। তবে খাবারের মান একটু নি¤œ এবং দাম একটু বেশি।

কুয়াকাটা হোটলে-মোটেল মালিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আলহাজ মিলন ভূইয়া জানান, বৃষ্টির কারণে ঈদের প্রথম দিকে পর্যটকদের সংখ্যা একটু কম ছিল। তবে এখন হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে পর্যাপ্ত বুকিং রয়েছে। এছাড়া ঘুরতে আসা পর্যটকদের জন্য সব আয়োজনে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পরিদর্শক খলিলুর রহমান জানান, সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

 

"