নামি শিক্ষকদের ক্লাস প্রচারে ‘শিক্ষা টিভি’র ভাবনা

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

নামিদামি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্কুলে না পাঠিয়ে বরং ওই সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ক্লাস টেলিভিশনে প্রচার করতে একটি ‘শিক্ষা টিভি’ করার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এছাড়া শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্রই জনসচেতনতা তৈরি করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল উপস্থি’ত ছিলেন।

নামি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের অতিথি শিক্ষক হিসেবে নিয়ে প্রত্যন্ত এলাকার স্কুলে ক্লাস নেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন ডিসিরা। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ঢাকায় বা অন্য জায়গায় অত্যন্ত ভালো কিছু বিদ্যালয় আছে যেগুলোর অনেক সুনাম আছে। সেখানকার শিক্ষকদের অনেক সুনাম আছে। একটা প্রস্তাব আছে তাদের অতিথি শিক্ষক হিসেবে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়ার।

আমরা যেটা বলেছি, তার চেয়ে বরং খুব কম খরচে, এখন তো টেলিভিশনের দাম তেমন না। সব বিদ্যালয়ে কিন্তু সেই টেলিভিশনের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের খুব ভালো ভালো শিক্ষকদের ভালো ক্লাসগুলোকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে একই সঙ্গে সব স্কুলে দেখাতে পারি। সেজন্য একটা শিক্ষা টিভি-জাতীয় কোনো কিছু চিন্তা করা যায় এবং সেটি করা গেলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের যারা শিক্ষক আছেন তারাও শেখানো পদ্ধতি থেকে উপকৃত হবেন। আমরা এ বিষয়ে (শিক্ষা টিভি) কথা বললাম, সেটি নিয়ে আমরা চিন্তা-ভাবনা করব এবং আগামী দিনে কী পরিকল্পনা করা যায় সেটি দেখব।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য বাংলা ও ইংরেজি পড়তে, লিখতে ও শুনতে পারছে কিনাÑ ঠিকমতো সেই দক্ষতাগুলো যেন ছাত্ররা অর্জন করতে পারে সে বিষয়ে জোর দিয়েছি। এ বিষয়ে নিয়ে জেলা প্রশাসকদের কাজ করবার সুযোগ রয়েছে।

ডিসিদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, নিয়ম আছে যখন সরকারি কর্মকর্তারা বদলি হয়ে যান তখন সন্তানেরা সেখানকার সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারেন। কোটা রাখলে ভর্তি না হলে আসন নষ্ট হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং দফতরের কর্মকর্তাদের সন্তানদের ভর্তির জন্য কোটা আছে, সেটা আসলে ব্যবহৃত হয় না। সেটা কী উঠিয়ে দেবেনÑ প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিচার-বিবেচনা করে দেখতে পারি এটার আদৌ প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা?

 

"