প্রবাসীদের বিমার আওতায় আনার ঘোষণা

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের জীবন বিমা সুবিধার আওতায় আনার ঘোষণা দিল সরকার। অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আ হ ম মুস্তফা কামালের দেয়া ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় এ ঘোষণা দেন তিনি।

বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বিমা সুবিধা না থাকায় দুর্ঘটনা ও নানাবিধ কারণে তারা এবং তাদের পরিবার প্রায়শই আর্থিক ক্ষতি ও ঝুঁকির সম্মুখীন হয়। প্রবাসী কর্মীদের বিমা সুবিধার আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানা গেছে, প্রবাসীদের জীবন বিমা সুবিধার আওতায় আনতে একটি খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

এ নীতিমালার আওতায় বিমাকারী মৃত্যুবরণ করলে দুর্ঘটনাজনিত স্থায়ী ও সম্পূর্ণ অক্ষমতা বা পঙ্গুত্ববরণ করলে মূল বিমার শতভাগ পরিশোধ করার বিধান রাখা হয়েছে। অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের ভিত্তিতে দাবি পরিশোধ করার কথাও বলা হয়েছে।

খসড়া নীতিমালার শুরুতেই বলা হয়েছে, প্রবাসী কর্মীদের বিমা সেবার আওতায় আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের বিমা সুবিধার প্রয়োজনীয়তা, কর্মীদের আর্থিক সক্ষমতা, কর্মকালীন সম্ভাব্য ঝুঁকিসহ অন্যান্য সম্পর্কিত বিষয় বিবেচনায় আনা হয়েছে।

বিমার প্রকারভেদের ক্ষেত্রে বলা হয়, এ নীতিমালার আওতায় প্রবাসী কর্মীদের জীবন বিমা সুবিধা প্রদান করা হবে। সাধারণত মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিমা সুবিধায় প্রিমিয়াম হার ও বিমা অঙ্ক বিমা গ্রহীতাদের বয়সভেদে পার্থক্য হয়ে থাকে। তবে প্রবাসী কর্মীদের একটি গ্রুপ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বিমা পরিকল্পটি বা পলিসিটি সহজীকরণের লক্ষ্যে বিমা গ্রহীতাদের বয়স নির্বিশেষে অভিন্ন প্রিমিয়াম হার আরোপ করা হবে।

তাছাড়া এ সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনার পর বিদেশগামী কর্মীদের প্রয়োজনীয়তা ও আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে ৫ লাখ ও ২ লাখ টাকা বিমা অঙ্কের দুটি পরিকল্পনা বা পলিসি ডিজাইন করা হয়েছে। বিমা চলাকালীন যেকোনো কারণে বিমা গ্রাহক মৃত্যুবরণ করলে তার বৈধ উত্তরাধিকারীকে বিমা অঙ্কের শতভাগ পরিশোধ করা হবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

 

"