বগুড়ায় মামিকে হত্যার পর ভাগ্নের আত্মহত্যা

প্রকাশ : ১৫ মে ২০১৯, ০০:০০

বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার শিবগঞ্জে মামিকে হত্যা করে আত্মহত্যা করেছে ভাগ্নে। অনৈতিক সম্পর্কে রাজি না হওয়ায় মামিকে হত্যা করা হয় বলে জানা গেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়নের ভাটকোলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মামি আলেয়া বেগম (৩৫) ভাটকোলা গ্রামের দিনমজুর সাইদুর রহমানের স্ত্রী। ভাগ্নে আপেল (২০) পার্শ্ববর্তী টপাগাড়ি গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে। মোকামতলা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য শহিদুল ইসলাম জানান, আপেল পেশায় কাঠমিস্ত্রির কাজ করে। ছোট বেলা থেকে আপেল নানা তোজাম্মেল হোসেনের বাড়িতে বসবাস করে। তার মামা সাইদুর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী আলেয়ার সঙ্গে ভাগ্নে আপেল অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তিন মাস আগে সুযোগ বুঝে আপেল তার মামির ঘরে প্রবেশ করে অনৈতিক কর্মকা-ের চেষ্টা করে। ঘটনাটি আলেয়া তার স্বামীকে জানালে এ নিয়ে গ্রামে সালিস-বৈঠক করে আপেলকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে বাড়ির লোকজন যে যার কাজে চলে যায়। বাড়ির উঠানের পাশে টিউবওয়েল পাড়ে আলেয়ার রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। এরপর ভাগ্নে আপেলকে বাড়িতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে পরিবারের লোকজন। একপর্যায় বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একটি কক্ষে ভাগ্নে আপেলের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পায়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সনাতন চন্দ্র সরকার বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে, আপেল কাঠের কাজে ব্যবহৃত ধারালো বাটাল দিয়ে তার মামি আলেয়ার ঘাড়ে আঘাত করে হত্যা করে। এরপর ওই বাটাল দিয়েই নিজের পেটে আঘাত করে আত্মহত্যা করে।

আপেলের লাশ উদ্ধারের স্থান থেকে রক্ত মাখা বাটাল উদ্ধার করা হয়েছে।

 

"