বর্ষবরণে প্রস্তুত কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

জাককানইবি প্রতিনিধি

বাংলা নববর্ষ আবহমান বাঙালির প্রাণের উৎসব। ধর্ম বর্ণ শ্রেণি নির্বিশেষে বাংলাদেশের সব পর্যায়ের মানুষ উদযাপন করে এই উৎসব। সেখানে বৈসাবি নামে শামিল হয় ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষ। এবার নতুন বছর বরণ করে নিতে ‘মস্তক তুলিতে দাও অনন্ত আকাশে’ সেøাগানকে সামনে রেখে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (জাককানইবি) ব্যাপক প্রস্তুতি শেষ করেছে। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা গত দুই সপ্তাহ অক্লান্ত পরিশ্রম করে তৈরি করেছেন মঙ্গল শোভাযাত্রার নানা অনুষঙ্গ। বাঁশের চটা আর কাঠ দিয়ে তৈরি শত ফিট লম্বা বিশাল আকৃতির ময়ূরপঙ্খী কবি নজরুলের মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রধান আকর্ষণ। সঙ্গে অনুষঙ্গিক সহায়ক হয়ে থাকবে কাল্পনিক ঘোড়া, মোরগ, পেঁচাসহ গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী অনেক কৃর্তি। হুতুম পেঁচা, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, সিংহসহ বিভিন্ন আকৃতির ৩ শতাধিক মুখোশ, প্ল্যাকার্ড, বাংলার লোকায়ত সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন প্রতিকৃতি দিয়ে বাঙালি সাজসজ্জার বেশ অনেকগুলো উপকরণ নিয়ে পয়লা বৈশাখের সকাল ৯টায় বের হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা।

মঙ্গল শোভাযাত্রা ছাড়া থাকবে গ্রামীণমেলা আর যাত্রাপালা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তানিয়া তন্বী জানান, আমরা এবারই প্রথম বাংলাবর্ষকে বরণ করতে যাত্রাপালায় অভিনয় করছি। বাঙালির ঐতিহ্যকে আগামী প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরতেই বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়েছে।

উপাচার্য ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রা অশুভকে দূর করা, সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির প্রতীক। এই শোভাযাত্রার মাধ্যমে বাঙালির ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, জাতিগত সব ধরনের বৈশিষ্ট্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে হস্তান্তর হচ্ছে।

 

"