রমজানে স্থিতিশীল থাকবে পেঁয়াজ-ছোলার বাজার

প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

চট্টগ্রাম ব্যুরো

পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে পেঁয়াজ এবং ছোলার দাম। দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮ টাকা এবং ছোলা ৬১ থেকে ৬২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে আসন্ন শবেবরাতের চাহিদা বাড়তে থাকায় চিনির দাম বাড়ছে। আর বুকিং রেটের কারণে অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে ভোজ্যতেলের বাজার।

ভারত থেকে ব্যাপকভাবে আমদানি হওয়ায় কোনো কারসাজি কাজে আসছে না পেঁয়াজের বাজারে। বরং প্রতি সপ্তাহেই কেজিতে এক-দুই টাকা করে কমছে। সে সঙ্গে চীন ও থাইল্যান্ড থেকে সরবরাহ বাড়ায় আদা ও রসুনের দাম সর্বনি¤œ পর্যায়ে রয়েছে।

খাতুনগঞ্জের মেসার্স এ মোকতার ট্রেডিংয়ের মালিক সেলিম উল্লাহ খান গণমাধ্যমকে বলেন, পেঁয়াজ প্রচুর পরিমাণে আমদানি হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে ২-৩ টাকা করে কমতে শুরু করেছে।

একই অবস্থা ছোলার বাজারেও। সবচেয়ে বেশি ছোলা আমদানি করা হয় অস্ট্রেলিয়া থেকে। কিন্তু এবার অস্ট্রেলিয়ায় ছোলার ফলন ভালো হয়নি। তাই বাজার দখল করেছে সাধারণ মানের ছোলা। মানের কারণে ছোলার দামও তুলনামূলক কম।

চট্টগ্রাম ডাল মিল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সনজয় দেব বলেন, অস্ট্রেলিয়ার ছোলা নিম্নমানের, যার কারণে বাজার কম। তবে মিয়ানমার থেকে উন্নত মানের ছোলা আসবে। যদি ভালো মানের হয় তাহলে দামও বেশি হবে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের বুকিং রেট স্থিতিশীল থাকায় সব ধরনের ভোজ্যতেলের দাম কমতির দিকে। খাতুনগঞ্জের মেসার্স সবুজ ট্রেডিংয়ের মালিক শাহেদুল আলম বলেন, রমজানকে কেন্দ্র করে সয়াবিন ও পাম অয়েলে কেজিপ্রতি ১০ পয়সা ও ২০ পয়সা করে বৃদ্ধি পেয়েছে। পবিত্র শবেবরাত থেকে শুরু করে পুরো রমজান মাসে চিনির চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ফলে চাহিদার কারণে চিনির দাম বাড়ছে। খাতুনগঞ্জের মেসার্স আলতাফ অ্যান্ড ব্রাদার্স মালিক আবদুল গফ্ফার বলেন, রমজানে যদি মিল মালিকরা চিনি সরবরাহ অব্যাহত রাখে তাহলে চিনির দাম বাড়বে না।

ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে বুকিং রেট অন্যান্য সময়ের তুলনায় কম থাকায় চলতি বছর চাহিদার তুলনার চেয়ে বেশি ভোগ্য পণ্য আমদানি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

"