ডা. রাজনের স্বাভাবিক মৃত্যুকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা

প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজন কর্মকারের অকালমৃত্যুতে শোকাহত তার পরিবার। তার এই হঠাৎ চলে যাওয়ায় তছনছ হয়ে গেছে তার সংসার। তার স্ত্রী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. কৃষ্ণা মজুমদার স্বামীর অকালমৃত্যুতে দিশেহারা। এদিকে ডা. কৃষ্ণা মজুমদারের বাবা খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জামাতার অকালমৃত্যুতে শোকাহত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি কোনোভাবেই তার জামাতার এই অকালমৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না। অন্যদিকে রাজনের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জল ঘোলা করে চলেছে ষড়যন্ত্রকারী একটি মহল। ডা. কৃষ্ণা মজুমদারের নামে দেওয়া হচ্ছে তার প্রাণের চেয়েও প্রিয় ভালোবাসার মানুষটিকে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ।

প্রসঙ্গত, ১৬ মার্চ রাত ৩টার দিকে ডা. রাজন কর্মকার হঠাৎ করেই হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়াকে দায়ী করে। এ বিষয়ে স্কয়ার হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আসাদুজ্জামান বলেন, রাত পৌনে ৪টার দিকে ডা. রাজনকে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর লাইফের কোনো সাইন পাওয়া যায়নি। তার শরীরে কোনো জখম ছিল না। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়েই তার মৃত্যু হয়েছে। রাজনের পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্তের দাবি জানালে রাজনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে ডা. রাজন কর্মকারের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে জানান ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা।

ডা. রাজনের ময়নাতদন্ত শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়–য়া। তিনি বলেন, ডা. রাজনের ময়নাতদন্ত আমাদের এখানে সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের ফরেনসিক বিভাগ তার ময়নাতদন্ত করেছে। তার শরীরের বাইরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না।

 

"