মতবিনিময় সভায় সিইসি

উপজেলা নির্বাচনের চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপে ইভিএম

প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

মহানগর (সিলেট) প্রতিনিধি

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপে বিভিন্ন জেলার ১০টি উপজেলায় ইভিএমের ব্যবহার হবে। বিশেষ করে সদর উপজেলা নির্বাচনগুলোতে এই ইভিএম ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। গতকাল বুধবার সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

নুরুল হুদা বলেন, ‘সিলেটে আমরা ইভিএম ব্যবহার করতে পারিনি। তখনও বিধি তৈরি হয়নি। তবে চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে বিভিন্ন উপজেলার ১০টিতে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। আমি মনে করি সিলেটে আগের যে নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছে তা সুষ্ঠু হয়েছে। তারই প্রতিফলন এবারের দুটি জেলার নির্বাচন। সিলেটের মানুষ ভালো, তারা আইন মেনে চলেন। আমরা আশা করছি ১৮ তারিখের নির্বাচনও সুষ্ঠু হবে।’ ইভিএম চালুর ব্যাপারে আগেই সিদ্ধান্ত রয়েছে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনে বাক্স ছিনতাই, আগুন লাগানো ও জোরপূর্বক সিল দেওয়ার ঘটনা একদিনের না। এটা অনেক পুরোনো ঘটনা। এই দেশে এটার একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন বাক্স নিয়ে ঝামেলা আছে। তাই ইভিএম চালু হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে। ইভিএম চালু বিশেষ সময়ের জন্য নয়, বিশেষ ক্ষেত্রের জন্য না। মূলত ঝামেলা এড়ানোর প্রেক্ষাপটেই ইভিএমের ব্যবহার।’

এর আগে বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। এ সময় নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় সেই বিষয়ে সবার সঙ্গে আলোচনা করেন। এই সময় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বরতদের সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এ ব্যাপারে নুরুল হুদা বলেন, ‘নির্বাচনী দায়িত্বে যারা থাকবেন তাদের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ যাতে অনুষ্ঠিত হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা কঠোর অবস্থানে থাকবেন। নির্বাচিত প্রার্থীদের যত ধরনের প্রশাসনিক সহায়তা প্রয়োজন তা দেওয়া হবে। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আশা করি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে বড় একটি দল বয়কট করেছে। এই কারণে হয়তো উপজেলা নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা কম হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি এটাও একটা কারণ হতে পারে।’

মতবিনিময় সভায় সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সিলেটের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

"