সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী

বিশ্বের ১২১ দেশে কৃষিপণ্য রফতানি হচ্ছে

প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

সংসদ প্রতিবেদক

বর্তমানে বিশ্বের ১২১ দেশে ৬৭৩ দশমিক ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের কৃষিপণ্য রফতানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেছেন, কৃষিজাত পণ্য অধিকহারে রফতানি বাড়াতে সরকার নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সে লক্ষ্যে বিদ্যমান রফতানি নীতিতে কৃষি ও কৃষিজাত পণ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে এ-সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকারি দলের সদস্য বজলুল হক হারুন। জবাবে মন্ত্রী আরো বলেন, কৃষিপণ্য রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার সর্বক্ষেত্রে চুক্তিবদ্ধ চাষ ব্যবস্থা ও উত্তম কৃষি পদ্ধতি ‘গুড এগ্রিকালচার প্র্যাকটিস (জিএপি)’ অনুসরণ করে মাঠ থেকে বাজার ‘ফারম টু মার্কেট’ নীতি অনুসরণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ছাড়া কৃষিপণ্য উন্নয়নে বিভিন্ন গবেষণামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

 

সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইমামের পৃথক দুটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি সুবিধা আদায়ে আমরা ১৬টি শর্ত পূরণ করেছি বা বাকি থাকলে সেটা করব। কিন্তু তাতেও জিএসপি সুবিধা ফেরত পাব কি না, সেটা জানি না। আর যেসব পণ্যে জিএসপি সুবিধা পেতাম, তা বন্ধ হওয়ায় কোনো প্রভাব ফেলছে না। তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যা রফতানি হয়, তার ৯০ ভাগই হচ্ছে তৈরি পোশাক। তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে জিএসপির কোনো প্রভাব পড়ছে না। প্রভাব পড়ছে অন্য কিছু আইটেমের ওপরে, যেটা খুব বেশি একটা মেটার করে না।

মন্ত্রী বলেন, তারা প্রশ্ন তুলেছে শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে। আমাদের সংসদে আইন আছে, সেটাও হয়ে যাবে। আশাকরি জিএসপির ব্যাপারটা আমরা শর্টআউট করতে পারব। টিকফা নিয়েও আলোচনা চলছে। তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ট্যাক্স নিচ্ছে কথাটি সত্য। যদি শুল্কমুক্ত সুবিধা পেতাম, তাহলে ভালো হতো। কিন্তু তারা তো দিচ্ছে না, চেষ্টা করছি। আমেরিকা সবচেয়ে বড় দেশ তাদের অর্থনীতি আমার কিছু টাকায় পয়সা দিই, কাজেই তাদের অর্থনীতিতে আমাদেরও অবদান আছে। আগামীতে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করি।

"