চায়ের কাপে ঝড়

উপজেলা নির্বাচনে লড়বেন রিকশাচালক সেন্টু

প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
ama ami

২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে নবীনগর উপজেলা। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সারা দেশের মতো নবীনগরেও শুরু হয়েছে নির্বাচনী আমেজ। এরই মধ্যে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও দেয়ালে পোস্টার সাঁটিয়ে নিজেদের প্রার্থিতা প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। ক্ষমতাসীন দলসহ তিন পদে অর্ধশতাধিক প্রার্থী মনোনয়নযুদ্ধে লড়বেন। তবে তাদের মধ্যে একটু ব্যতিক্রম দেখা গেল উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী এ কে এম সেন্টুকে।

তিনি নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী দাবি করে নিজের পোস্টার নিজেই শহরের বিভিন্ন স্থানে সাঁটাতে শুরু করেছেন। তিনি পৌর এলাকার মাঝিকাড়া গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার ছেলে। পেশায় রিকশাচালক। বয়সও ত্রিশের কোটায়। লেখাপড়ায় প্রাথমিক পর্যন্ত। এদিকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রিকশাচালক এ কে এম সেন্টুকে নিয়ে নবীনগরের চায়ের দোকানগুলোতে বইছে আলোচনার ঝড়। তৈরি হয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার। কেউ বলছেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সবার রয়েছে নির্বাচন করার অধিকার। কেউবা বলছেন, নির্বাচনে এমন কাউকে দাঁড়ানো উচিত, যিনি সাধারণ জনগণকে প্রতিনিধিত্ব করার সক্ষমতা রাখেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম সেন্টু বলেন, ‘নির্বাচন করতে কোনো টাহা পয়সা লাগে না। প্রচারণায় বেশ সাড়া পাচ্ছি। সঠিক নির্বাচন হলে জয়ী হব ইনশা আল্লাহ্। আমি কোনো দল থেকে নির্বাচন করব না, স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ব। নির্বাচিত হলে নবীনগরকে মাদকমুক্ত করে ছাড়ব আর শ্রমিক ভাইদের জন্য নৈশ বিদ্যালয় তৈরি করব।ু সংসার চালাতে আমি রিকশা চালাই। প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার টাকা আয় করি।’

"